সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর দীর্ঘ ভাষণ শুনতে যে অনেকেই পছন্দ করছেন না, তা আগেই টের পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেডিও-তে ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে বলেওছিলেন, অনেকেই চিঠিতে অভিযোগ করেছেন, স্বাধীনতা দিবসে তাঁর ভাষণ বড্ড লম্বা হয়ে যাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, স্বাধীনতা দিবসে আর দীর্ঘ ভাষণ দেবেন না তিনি। কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের স্বাধীনতা দিবসে মাত্র ৫৭ মিনিট ভাষণ দিলেন তিনি। গত চার বছরে এটি মোদির সংক্ষিপ্ততম ভাষণ।
[স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে নতুন ভারত গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর]
প্রধানমন্ত্রী পদে মোদির পূর্বসূরী মনমোহন সিং স্বাধীনতা দিবসে ১০ বার লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেওয়া সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু, কোনওবারই তাঁর ভাষণ ৫০ মিনিটের গণ্ডি পেরোয়নি। এমনকী, স্বাধীনতা দিবসে ৩০-৩৫ মিনিটের বেশি ভাষণ দিতেন না বিজেপির প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ি। কিন্তু, মোদি জমানায় এতদিন স্বাধীনতা দিবসের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ ভাষণ শুনতেই অভ্যস্ত ছিল দেশবাসী। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম স্বাধীনতা দিবসে ৬৫ মিনিট ধরে ভাষণ দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালে স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের সময়সীমা ছিল ৮৬ মিনিট। আর গত বছর তো স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘতম ভাষণ দেওয়ার নজির গড়েছিলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর ৯৬ মিনিটের ভাষণ শুনেছিল দেশবাসী। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট লালকেল্লা থেকে ৭২ মিনিট ভাষণ দিয়েছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। ২০১৫ সালের আগে পর্যন্ত সেটাই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘতম ভাষণ।
[গোরক্ষপুরে সন্তানহারা পরিবারগুলির পাশে গোটা দেশ, বললেন প্রধানমন্ত্রী]
চলতি মাসে রেডিও-তে ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসে আর দীর্ঘ ভাষণ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খোলাখুলি স্বীকারও করেছিলেন, বহু মানুষ চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেছেন, স্বাধীনতা দিবসে তাঁর ভাষণ দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার, ৭১ তম স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে যেমন সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন, তেমনি নিজের দেওয়া কথাও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভাষণ দিয়েছেন মাত্র ৫৭ মিনিট। স্বাধীনতা দিবসে এটাই মোদির সংক্ষিপ্ততম ভাষণ।
[স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীকে ফোন ট্রাম্পের, কী বললেন?]
এদিন ভারতীয় সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য বীরত্বের পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁদের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল খোলার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পোর্টালে ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বীরত্বের পুরস্কার প্রাপকদের ছবি-সহ যাবতীয় তথ্য থাকবে। প্রসঙ্গত, যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্বের জন্য সেনা জওয়ানদের পরমবীর চক্র, মহাবীরচক্র ও বীরচক্র পুরস্কারে সম্মানিত করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শান্তিরক্ষায় অবদানের জন্য দেওয়ার হয় অশোকচক্র, কীর্তিচক্র ও সূর্যচক্র পুরস্কার।
[কেরলের স্কুলে পতাকা উত্তোলনে ‘বাধা’ মোহন ভগবতকে]
সর্বশেষ খবর
-
দলে আর জায়গা নেই, জানিয়ে দিয়েছে বোর্ড! রবিবারই শেষ ওয়ানডে খেলবেন রোহিত?
-
দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা
-
ঋত-তৃণমূলে এবার ব্রাত্যও? ঘাসফুল শিবিরে ভাঙনের মরশুমে তুঙ্গে জল্পনা
-
ফুলবাগানের মন্দির তহবিল থেকে ‘চুরি’ ৪৪ লক্ষ, অভিযোগ দায়ের কমিটির
-
আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে মৃত্যু! বাংলাদেশে মর্মান্তিক পরিণতি তরুণের