Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

লালকেল্লায় নেতাজি বন্দনা, জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নেতাজির ব্যবহার করা চেয়ার, মেডেল, ব্যাগ, উর্দি রাখা হয়েছে মিউজিয়ামে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৯, ১১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৯, ১১:২৩

options
link
লালকেল্লায় নেতাজি বন্দনা, জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২২তম জন্মদিবসে দিল্লির লালকেল্লায় জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজকে উৎসর্গ করা হয়েছে এই মিউজিয়াম। বুধবার সকাল সাড়ে ন’টায় জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়।

এই জাদুঘরে আইএনএ ও সুভাষচন্দ্র বসুর বিভিন্ন জিনিসপত্র রাখা হয়েছে। নেতাজির ব্যবহার করা চেয়ার, মেডেল, ব্যাগ, উর্দি রাখা হয়েছে মিউজিয়ামে। রয়েছে আজাদ হিন্দ ফৌজের বিপ্লবীদের ব্যবহার করা জিনিসপত্রও। এছাড়া বুধবার ইয়াদ-এ-জালিয়ান জাদুঘরেও যান প্রধানমন্ত্রী। এই জাদুঘরটি জালিয়ানওয়ালাবাগ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতির উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগে হত্যাকাণ্ড হয়। তখনকার অনেক প্রমাণই স্থান পেয়েছে মিউজিয়ামে। এরপর ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলনের ও দৃশ্যকলা মিউজিয়ামেও যান প্রধানমন্ত্রী। শেষের জাদুঘরে ভারতীয় শিল্পকলা স্থান পেয়েছে। প্রথমটিতে রাখা আছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় যোদ্ধাদের ব্যবহার করা অস্ত্রশস্ত্র।

Advertisement

গৃহহীন সবরীমালার ‘অপরাধী’, ঠাঁই হল আশ্রমে ]

২১ অক্টোবর, আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে দিল্লির লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তেরঙ্গা তুলে আজাদ হিন্দ সরকার ও নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভাষণ রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাধীনতার জন্য নেতাজির অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “নেতাজি এমন একটি ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে সবার সমান অধিকার ও সমান সুযোগ থাকবে। তিনি এমন একটি দেশ চেয়েছিলেন যেখানে মানুষ ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হবে, পাশাপাশি সবক্ষেত্রে উন্নতিও হবে। সমস্ত রকম বিভেদ তিনি গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এত বছর পরও তাঁর স্বপ্ন সফল হয়নি। অনেক ত্যাগের পর আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই স্বাধীনতা যাতে নষ্ট না হয় তা ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব।”

এদিকে মোদির এই নেতাজিপ্রীতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা। অনেকে বলছেন, ভোটব্যাংকে নিজেদের পাল্লা ভারী করতেই নেতাজিকে ‘ব্যবহার’ করছেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া নেতাদের বচনেও এখন বারবার উঠে আসছে নেতাজি প্রসঙ্গ। তবে আজকের দিনে এই তরজায় না গিয়ে নেতাজিকে সম্মান নিবেদনের ডাক দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জন্মজয়ন্তীতে নেতাজিকে স্মরণ, দেশনায়ককে শ্রদ্ধা মোদি-মমতার ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.