Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Delhi blast

ভুটান থেকে ফিরেই সোজা হাসপাতালে, দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে কথা বললেন মোদি

সোমবার দিল্লিতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ১৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ১৫:৪৫

options
link
ভুটান থেকে ফিরেই সোজা হাসপাতালে, দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে কথা বললেন মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ভুটান থেকে দেশে ফিরেই তিনি চলে গিয়েছিলেন দিল্লির লোক নায়ক জয় প্রকাশ হাসপাতালে। দিল্লি বিস্ফোরণে আহত ২০ জন এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আহতদের প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন। চিকিৎসকদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন আহতদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে।

সোমবার দিল্লিতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। জঙ্গি হামলা হিসেবে ঘোষণা না করা হলেও তদন্তের গতিপথ সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভুটান থেকে পরিষ্কার জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রকারীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। সূত্রের খবর, হামলার নেপথ্যে রয়েছে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। যদিও কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত হামলার দায়স্বীকার করেনি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের আগে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করছিল গাড়িটি। ঘাতক গাড়ির সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে দুই সন্দেহভাজনকে।

Advertisement

বিস্ফোরণের আগে ঘাতক গাড়িটি প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ গাড়িটি প্রথমবার বিক্রি হয়। কেনেন জনৈক সলমন। পরে তিনি গাড়িটি দিয়ে দেন দেবেন্দ্রকে। তবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ছাড়াই। পরে সেখান থেকে মালিকানা বদল হয় সোনুর কাছে। এরপর গাড়িটি যায় তারিকের কাছে। কিন্তু গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে কোনও বদল হয়নি। তবে এই প্রক্রিয়ায় ফরিদাবাদের এক গাড়ি বিক্রেতার নামও জড়িয়ে গিয়েছে। ফরিদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাদিম খান নামের ওই ব্যক্তিকে। তাঁকে জেরা করেই তারিকের কথা জানতে পারেন তদন্তকারীরা।

ভুটান সফর শেষে বুধবার দিল্লিতে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীতে ফিরেই সোজা হাসপাতালে চলে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন আহতদের প্রত্যেকের সঙ্গে। তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। ২০ জনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কথা বলেন মোদির সঙ্গে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.