দিল্লিতে ঝটিকা সফরে আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএই প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ আলিঙ্গনে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, মোদির সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতেই মাত্র দু’ঘণ্টার সফরে ভারতে এসেছেন আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট। ইরানে খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, মার্কিন হুঁশিয়ারি, তার মধ্যে ইউএই প্রেসিডেন্টের ভারত সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে দেখা গিয়েছে বিমানবন্দরে আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন মোদি। বিমানবন্দরেই রেড কার্পটে ‘গার্ড অফ অনার’ সম্মানিত করা হয় প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে। একটি গাড়িয়ে হাসি মুখে উভয় রাষ্ট্রনেতার সফর করার ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। ইউএই প্রেসিডেন্টের সফর সংক্ষিপ্ত হলেও কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
Went to the airport to welcome my brother, His Highness Sheikh Mohamed bin Zayed Al Nahyan, President of the UAE. His visit illustrates the importance he attaches to a strong India-UAE friendship. Looking forward to our discussions.@MohamedBinZayed pic.twitter.com/Os3FRvVrBc
— Narendra Modi (@narendramodi) January 19, 2026
এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন মোদি। একাধিক ছবি-সহ লিখেছেন, “আমার ভাইকে স্বাগতকে জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট মহামান্য শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এই সফর ভারত এবং আরব আমিরশাহীর মধ্যে শক্তিশালী বন্ধুত্বের উদাহরণ। আলোচনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। মনে করা হচ্ছে, ইউএই প্রেসিডেন্টের তৃতীয় সফরে ইরানের খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, মার্কিন রাষ্ট্রপ্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, তৎসহ মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কথা হবে।
প্রসঙ্গত, একদিন আগেই সুর চড়িয়ে ইরানের আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পালটা ট্রাম্পকে হুমকি দিয়েছে তেহরানও। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, খামেনেইয়ের উপর কোনও আক্রমণ হলে তা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল হবে। অর্থাৎ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে আমেরিকা যদি কোনও পদক্ষেপ করে, তাহলে ছেড়ে কথা বলবে না তেহরানও, স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কিনা এখনও যুদ্ধের মেঘ কাটছে ইরানের আকাশ থেকে।
সর্বশেষ খবর
-
বন্দুক দেখিয়ে ইট লুঠ! এবার অনুব্রতের বিরুদ্ধে এফআইআর শান্তিনিকেতন থানায়
-
মাছ থেকে মার্কস! রেজ্জাকের শিষ্য কীভাবে হয়ে ওঠেন মমতার আস্থাভাজন? শওকতের উত্থান যেন চিত্রনাট্য
-
ইন্টারনেট টিভি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ট্রাই-এর, প্রতিবাদে সরব ওটিটি সংস্থাগুলি
-
ইউসুফের কাছে মমতার ‘ইস্তফা’ বার্তা পৌঁছে দেন? সৌরভ বলছেন, ‘ভুয়ো খবর’
-
পেট্রোলের বিকল্প এবার E85, বাতিল হবে পুরনো গাড়ি? কী বলছে কেন্দ্র