BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘করোনা ভারতে পা রাখার আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল সরকার’, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 14, 2020 11:13 am|    Updated: April 14, 2020 12:27 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস (COVID-19) রুখতে শুরুর দিকে সরকারের গা-ছাড়া মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। বিশেষ করে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এ নিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রের সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি অনেক আগে থেকে সতর্ক করা সত্বেও সরকার করোনা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। রাহুল তথা বিরোধীদের সেই অভিযোগ এবার সপাটে খারিজ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়ে দিলেন সরকার করোনা রুখতে কবে কী পদক্ষেপ করেছে।

মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, “ভারতে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য তখন থেকেই সংক্রমিত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু করেছে সরকার।” মোদির দাবি, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যখন একশোরও নিচে তখনই বিদেশ থেকে আগত সব যাত্রীর ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী বলেন,” ভারত সরকার যখন দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করে, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তখনও ৫৫০ পেরোয়নি। ভারত এই সমস্যাটাকে বাড়তে দেয়নি। বরং, যখনই সমস্যাটি দেখা গিয়েছে, তখনই আমরা সময়োচিত পদক্ষেপ করেছি।”

[আরও পড়ুন: লকডাউন চললেও ২০ এপ্রিলের পর ছাড়ের সম্ভাবনা, ভাষণে আশ্বাস মোদির]

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাবি, “ভারত সরকারের সুসংহত এবং পরিকল্পিত পদক্ষেপ দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়া আটকে দিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউন দেশকে সাহায্য করেছে। আমরা প্রতি মুহূর্তে রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। ঐক্যবদ্ধভাবেই এই লড়াইয়ে আমাদের জয় হবে।”

[আরও পড়ুন: নববর্ষের সকালে বাংলায় টুইট, ‘সকলের সুখ ও সমৃদ্ধি’ কামনা প্রধানমন্ত্রীর]

উল্লেখ্য এদিন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। লকডাউনে সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সরকার তার সবরকম ব্যবস্থা করছে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও বিরোধী শিবির প্রধানমন্ত্রীর এই আস্বাসে সন্তুষ্ট নয়। কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভির (Abhishek Singhvi) দাবি, “প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ছিল অন্তঃসারশূন্য। আমরা সরকারের কাছে আরও বিস্তারিত এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ চায়। গরিব মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প রক্ষার্থে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে জানতে চাই।” 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement