সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষানীতিতে ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপের পক্ষে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার, জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের সঙ্গে আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেন মোদি। এই সভায় উপস্থিতি রয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালগুলির উপাচার্য ও অন্য প্রবীণ সরকারি অধিকারিকরা।
[আরও পড়ুন: সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ছে ভারতে? আশঙ্কা বাড়াচ্ছে পুনঃসংক্রমণ]
देश की आकांक्षाओं को पूरा करने का महत्वपूर्ण माध्यम शिक्षा नीति और शिक्षा व्यवस्था होती है।शिक्षा व्यवस्था की जिम्मेदारी से केंद्र , राज्य सरकार, स्थानीय निकाय, सभी जुड़े होते हैं। लेकिन ये भी सही है कि शिक्षा नीति में सरकार, उसका दखल, उसका प्रभाव, कम से कम होना चाहिए: पीएम मोदी https://t.co/ckNiD2DJ1g pic.twitter.com/03WufW6frk
Advertisement— ANI_HindiNews (@AHindinews) September 7, 2020
এদিন প্রধানমন্ত্রী সরকারের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে নয়া শিক্ষানীতি বলবৎ করার সপক্ষে যুক্তি দেন, আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে সাহায্য করবে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি। পড়ুয়াদের উপর অযথা চাপ তৈরি না করে কীভাবে ভবিষ্যতের জন্য তাদের তৈরি করা হবে? এই প্রশ্নের সরল উত্তর রয়েছে নয়া শিক্ষানীতিতে। এছাড়া, প্র্যাকটিক্যাল বা হাতেকলমে শিক্ষার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে নয়া নীতিতে বলে জানান মোদি। নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) প্রয়োজনীয়তার সপক্ষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের আশা, আকাঙ্খা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে শিক্ষানীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার। এই বিষয়ে রাজ্য, কেন্দ্র সরকার জড়িত থাকে। তবে শিক্ষানীতিতে সরকারি হস্তক্ষেপ অত্যন্ত কম হওয়া উচিত। আজ কে সরকারে আছে বা কাল মসনদে কে থাকবে, সেই বিষয়টির প্রভাব শিক্ষানীতিতে পড়া কাম্য নয়। এটা সরকারের শিক্ষানীতি নয়। এটা দেশের শিক্ষানীতি।” তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি করতে হবে। পড়ুয়াদের উপর অযথা চাপ তৈরি না করে কীভাবে ভবিষ্যতের জন্য তাদের তৈরি করা হবে? এই প্রশ্নের সরল উত্তর রয়েছে নয়া শিক্ষানীতিতে।”
গত জুলাই মাসে প্রায় ৩৪ বছর পর বদল আসে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে (National Education Policy)। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা, শিক্ষাব্যবস্থার খোলনলচে বদলে ফেলা হল এই নয়া নীতিতে। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রের তরফে এই পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করা হয়। নয়া নীতিতে শিক্ষার অধিকারের আওতায় আনা হয়েছে ৩ থেকে ১৮ বছরের পড়ুয়াদের। পাশাপাশি বদল ঘটানো হল পরীক্ষা ব্যবস্থায়। এমনকী আমূল বদলে গিয়েছে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাও। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া নীতিতে শিক্ষাব্যবস্থা কুক্ষিগত করেছে কেন্দ্র বলে বিরোধীরা যে অভিযোগ জানিয়েছেন, আজ তারই জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, নয়া শিক্ষানীতিতে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নাম বদলে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। স্বাধীনতার পর থেকে এই নামেই পরিচিত ছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। পরে ১৯৮৫ সালে তা বদল করা হয়। নতুন শিক্ষানীতিতে সকলের জন্য শিক্ষার অধিকার রয়েছে। এর আওতায় আনা হয়েছে ৩ থেকে ১৮ বছরের পড়ুয়াদের। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে গুরুত্বহীন দশম বা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পড়ুয়াদের মুখস্থ বিদ্যার বদলে হাতেকলমে শিক্ষায় জোর দেওয়া হবে। প্রতিবছরের বদলে তৃতীয়, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ। দশম শ্রেণির পর কলা বিভাগ, বিজ্ঞান বিভাগ বা বাণিজ্য বিভাগের তফাৎ উঠে যাচ্ছে। পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়লেও, থাকতে পারে সংগীত । পদার্থবিদ্যা, রসায়ন নিয়ে পড়লেও, ফ্যাশন ডিজাইনিং পড়ার সুযোগ। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা/আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষা বাধ্যতামূলক। কারোর উপর জোর করে কোনও ভাষা চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা/আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষায় ঐচ্ছিক। দ্বাদশ শ্রণিতে বোর্ডের পরীক্ষায় ৮টি সেমিস্টারের প্রস্তাব। ৫+৩+৩+৪ ভাগে ১৫ বছরের স্কুল স্তরে পড়াশোনা। এর মধ্যে তিন বছর প্রি স্কুল পড়াশোনার সুপারিশ। উচ্চশিক্ষার তত্ত্বাবধানে একটিই নিয়ন্ত্রক সংস্থা, হায়ার এডুকেশন কাউন্সিল (HECI)। তবে তার আওতায় থাকবে না মেডিক্যাল ও আইনি শিক্ষা। স্নাতক স্তরে অনার্স কোর্স ৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে। তবে প্রতি বছরের শেষে পড়ুয়ারা পাবেন সার্টিফিকেট। কোর্স শুরুর ১২ মাসের মধ্যে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে পড়ুয়া পাবেন ভোকেশনাল কোর্সের সার্টিফিকেট। দুবছর বা ২৪ মাস পর ছাড়লে ফিলবে ডিপ্লোমার সার্টিফিকেট। আর চার বছরের কোর্স করলে পাওয়া যাবে ডিগ্রি কোর্সের সার্টিফিকেট। ফলে চাকরির ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। ১ অথবা ২ বছরে স্নাতকোত্তরের সুপারিশ। উঠে যাচ্ছে এমফিল।
[আরও পড়ুন: আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ‘পিতৃপক্ষ’ শেষ হলেই শুরু হবে রাম মন্দির তৈরির কাজ, জানাল ট্রাস্ট]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার