সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার বিহারে প্রথম দফার ভোট। তাঁর আগে রাজনৈতিক নেতাদের অভব্যতা যেন নতুন মাত্রায় পৌঁছে গেল। বিহারে সুশাসনবাবু নামে পরিচিত মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার (Nitish Kumar) ব্যক্তিগত স্তরে নিম্নরুচির আক্রমণ করে বসলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে। খোঁচা দিলেন তাঁর ৯ সন্তান নিয়ে। পালটা দিতে গিয়ে আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬-৭ ভাইবোনকে টেনে আনলেন বিরোধী শিবিরের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav )।
#WATCH हमारे बहाने नीतीश जी PM जी को निशाना बना रहे हैं,PM जी 6-7 भाई-बहन हैं।हमने पहले भी कहा है कि नीतीश जी थक चुके हैं वो हमें कितना भी गाली दें लेकिन वो बेरोज़गारी,गरीबी पर बात नहीं करना चाहतें।अगर ऐसी बोली वो बोलते हैं तो वो महिलाओं की मर्यादा को ठेस पहुंचा रहें:तेजस्वी यादव pic.twitter.com/uEtk75Hjn3
Advertisement— ANI_HindiNews (@AHindinews) October 27, 2020
[আরও পড়ুন: গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে ৯ ঘণ্টার জেরাতেও অবিচল ছিলেন মোদি! জানালেন তদন্তকারী আধিকারিক]
সোমবার এক জনসভায় লালুপ্রসাদ যাদবকে (Lalu Prasad Yadav) ব্যক্তিগত স্তরে আক্রমণ শানিয়ে নীতীশ কুমার বলেন,”কারও কারও ৮-৯ টা করে সন্তান। ওদের কন্যা সন্তানদের উপর কোনও ভরসা নেই। অতগুলো মেয়ে হওয়ার পর ছেলে হয়েছে। তারপর থেমেছে। ওঁরা এই ধরনের বিহারই চায়।” নিজের এই মন্তব্যে কারও নাম না নিলেও, নীতীশের লক্ষ্য যে লালুই ছিলেন, সেটা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে তেজস্বী যাদব আবার টেনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবারকে। তিনি বলছেন,”পূজনীয় নীতীশ কুমারজি আমার সম্পর্কে কোনও কুকথা বললে সেটা আমার জন্য আশীর্বাদ। উনি শারীরিক এবং মানসিকভাবে ক্লান্ত। তাই উনি যাই বলুন না কেন, আমি সেটাকে আশীর্বাদ হিসেবে নিচ্ছি।” তেজস্বী বলছেন,”আসলে নীতীশজি আমাদের অজুহাতে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীররাও তো ৬-৭ ভাইবোন। এসব বলে উনি আমার মাকে আঘাত করছেন। মহিলাদের মর্যাদার দেওয়ার কথা ভুলে যাচ্ছেন। ওঁরা বেকারত্ব, গরিবির মতো আসল ইস্যু নিয়ে কথা বলতে চায় না, তাই এসব বলছে।”
[আরও পড়ুন: বিহারে নীতীশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে বিজেপি! মোদির বিজ্ঞাপনে নেই মুখ্যমন্ত্রীর ছবি]
এদিকে, বিহারের প্রথম দফার নির্বাচনের একদিন আগে ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও। শারীরিক অসুস্থতার জন্য বিহারে প্রচারে যেতে পারেননি সোনিয়া। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। বললেন, “বিহার সরকার ভুলপথে চলছে। না ওঁরা ভাল কথা বলে, না শোনে। শ্রমিকরা অসহায়, কৃষকরা উদ্বেগে, যুবসমাজ হতাশায় ভুগছে, মানুষ কংগ্রেসের মহাজোটের সঙ্গে আছে। আর এটাই বিহারের চাহিদা।”
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!
-
‘পদে পদে বাধা দিত আগের সরকার’, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ দেখে তৃণমূলকে তোপ রেলমন্ত্রী বৈষ্ণবের