সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “যারা মহাকুম্ভের নিন্দা করছে তারা আসলে ক্রীতদাসের মানসিকতার।” একদিন আগেই মধ্যপ্রদেশের সভা থেকে মহাকুম্ভের ‘নিন্দুক’দের একহাত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার বিহারের সভা থেকেও সেই কুম্ভ অস্ত্রেই শান দিলেন প্রধানমন্ত্রী। সরাসরি লালুপ্রসাদ যাদব এবং কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “কুম্ভের অপমানকারীদের মানুষ ক্ষমা করবে না।”
সম্প্রতি কুম্ভমেলায় অব্যবস্থার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা, একাধিক অগ্নিকাণ্ড, ট্রাফিক জ্যাম, ট্রেনে অস্বাভাবিক ভিড়, এমনকী নয়াদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। স্বাভাবিকভাবেই সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একের পর এক প্রশ্নে বিদ্ধ হচ্ছে উত্তরপ্রদেশ এবং কেন্দ্র সরকার। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, সকলেই কুম্ভের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবও বিরোধীদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে কুম্ভকে ‘ফালতু’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন।
বিহারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নাম না করে লালুকে জবাব দিয়ে এলেন। মোদির কথায়, “জঙ্গলরাজের নেতারা মহাকুম্ভ নিয়ে রসিকতা করছে। হিন্দু ধর্মের অপমান করছে। মানুষ বিহারবাসীকে ক্ষমা করবে না।” প্রধানমন্ত্রী বলছেন, “জঙ্গলরাজের নেতাদের আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে সমস্যা। গোটা ইউরোপের যা জনসংখ্যা, তার চেয়েও বেশি মানুষ প্রয়াগরাজে পুণ্যস্নান করেছেন। কিন্তু রামমন্দির নিয়ে যাদের সমস্যা ছিল, তারা কুম্ভ নিয়েও বাজে কথা বলছে। মানুষ কোনওদিন ওদের ক্ষমা করবে না।”
দিন কয়েক আগে নয়াদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে আরজেডির প্রতিষ্ঠাতা লালুপ্রসাদ যাদব বলেন, “কুম্ভের কোনও আলাদা মাহাত্ম্য আছে নাকি? কুম্ভ আসলে ফালতু।” নাম না করে লালুর সেই মন্তব্যেরই জবাব দিলেন মোদি।
সর্বশেষ খবর
-
একাধিক পরকীয়া, রুশ বিজ্ঞানীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক! এপস্টেইন কাণ্ডে স্বীকারোক্তি বিল গেটসের
-
বনশালির ছবির সেটে মর্মান্তিক মৃত্যু, এফআইআরের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি
-
আট বছর আগে সিপিএম সমর্থক দম্পতিকে পুড়িয়ে মেরেছিল তৃণমূল? শুভেন্দুর নির্দেশের পরেই আটক ১০ অভিযুক্ত
-
রক্তেই লুকিয়ে বিপদের ইঙ্গিত! কোন ব্লাড গ্রুপে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি?
-
জমি দখলে ইডির রাডারে শান্তনু ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তা, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের