Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য মোদি-সোনিয়ার

বিজয় ঘাটে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১২:৩৬

options
link
লালবাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য মোদি-সোনিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে গান্ধীজয়ন্তী। কিন্তু ২ অক্টোবর, আজকের দিনে আরও একজন জন্মেছিলেন। তিনি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। আজ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই কিংবদন্তি নেতার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী। পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভায় রেলমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন তিনি। ১৯৬৪ সালের মে মাসে জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পরে ওই বছরের জুন মাসে তিনি দেশের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

শাস্ত্রীর জন্মজয়ন্তীতে আজ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধী। নয়াদিল্লির বিজয় ঘাটে দেশের লালবাহাদুর শাস্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। ছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ছেলে অনিল শাস্ত্রীও। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: দুধেই কি ছিল বিষ? আজও রহস্যে মোড়া লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু ]

১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষর করেন শাস্ত্রী। তার কয়েক ঘণ্টা পরই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর, না তাঁকে বিষ দেওয়া হয়, এই প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। এমনিতে লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি আজও। ফলে ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ মন্ত্রের হোতা শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে জনমানসে আজও রয়েছে অসীম কৌতূহল। শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে অটলবিহারী বাজপেয়ী থেকে শুরু করে জর্জ ফার্নান্ডেজ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় থাকাকালীন সেই রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা সেই অর্থে কেউই করেননি।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, শাস্ত্রীকে বিষ দেওয়া হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি। গ্রেপ্তার করা হয় শাস্ত্রীর রুশ খানসামা আহমেদ সাতারভকে। এমনকী তাঁর দেহ দেশে ফিরলে দেখা যায় নীল হয়ে গিয়েছে শাস্ত্রীর শরীর। কিন্তু এত কিছু ঘটা সত্ত্বেও অদ্ভুতভাবে ময়নাতদন্তে বাদ সাধেন নন্দা। রহস্যজনকভাবে গাড়ি চাপা পড়ে মারা যান শাস্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তাঁর দুই ছেলে। শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার। এছাড়াও শাস্ত্রীর মৃত্যুর অন্যতম সন্দেহভাজন জান মহম্মদকে রাষ্ট্রপতি ভবনে কাজে নিয়োগ করা হয়। সব মিলিয়ে আজও রহস্যে মোড়া লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু।

[ আরও পড়ুন: তালাবন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার ইসরোর বিজ্ঞানীর রক্তাক্ত মৃতদেহ, চাঞ্চল্য হায়দরাবাদে ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.