Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
PM Narendra Modi

‘আত্মনির্ভর ভারতেরই ফসল দুই কোভিড ভ্যাকসিন’, দেশের বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার এক বিজ্ঞান সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২১, ১২:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২১, ১২:২২

options
link
‘আত্মনির্ভর ভারতেরই ফসল দুই কোভিড ভ্যাকসিন’, দেশের বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই ভারতের দু-দুটি করোনা প্রতিষেধক জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে। শুরু হতে চলেছে টিকাকরণ কর্মসূচিও। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ভারত যে করোনাযুদ্ধে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এর নেপথ্যে দেশের বিজ্ঞানীদের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সোমবার CSIR-এর বিজ্ঞান সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, ‘আত্মনির্ভর ভারতেরই ফসল দেশে তৈরি দু’টি কোভিড ভ্যাকসিন।

এদিন ন্যাশনাল মেট্রোলজি কনক্লেভের উদ্বোধন করে ভারচুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সে তাতে যোগ দেন দেশের বিভিন্ন CSIR-এর গবেষকরা। তাঁদের সামনে রেখেই দেশের বিজ্ঞানীমহলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, দেশীয় প্রযুক্তি, গবেষণার উপর নির্ভর করেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ তৈরি করে ফেলেছে জোড়া করোনা ভ্যাকসিন (Corona Vaccine)। গোটা প্রক্রিয়াই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। দেশবাসী বিজ্ঞানীদের নিয়ে গর্বিত। আর এই সাফল্যের পর এখন ভারতের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। শুধু তাইই নয়, বিশ্বের দরবারে ভারতের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ছে দেশের একেকটা সাফল্যের পর, এমনই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

[আরও পড়ুন: অনুমোদিত দুটি ভ‌্যাকসিনই ১১০ শতাংশ নিরাপদ, দাবি DCGI-এর]

ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন এবং সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড – দু’টিই সদ্য ছাড়পত্র পেয়েছে ভারতে। DCGI’এর দাবি, দু’টি প্রতিষেধক ১১০ শতাংশ কার্যকরী, সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটা ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মেধা এবং একনিষ্ঠ হয়ে গবেষণার ফলাফল বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ”হয়ত ফলাফল কী হবে, তা আমরা আগে থেকে বুঝতে পারি না। তবে গবেষণার পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না। তা চালিয়ে যেতেই হবে।” এভাবেই দেশে বিজ্ঞান এবং গবেষণার অগ্রগতির প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যাখ্যা করেন তিনি। তাঁর মতে, একমাত্র নিরলস গবেষণাই দেশকে সামাজিক, আর্থিক, প্রযুক্তি-সহ নানা ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: জোড়া ভ্যাকসিনে ছাড় মিলতেই করোনা যুদ্ধে আরও এগোল ভারত, কমল দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.