BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দোভালেই ভরসা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী, মেয়াদবৃদ্ধি ভারতের ‘জেমস বন্ডে’র

Published by: Tanujit Das |    Posted: June 3, 2019 3:42 pm|    Updated: June 3, 2019 3:42 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বস্ত অজিত দোভালের উপরেই ভরসা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই আরও পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে দোভালের মেয়াদবৃদ্ধি করল মোদি সরকার৷ এছাড়া নয়াদিল্লি সূত্রে খবর,  ভারতের ‘জেমস বন্ড’কে ক্যাবিনেট পদমর্যাদাও দেওয়া হচ্ছে৷ অর্থাৎ, এবার থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মতোই সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা৷

[ আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপে মাথা নোয়াল কেন্দ্র, শিক্ষাক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক নয় হিন্দি ]

গত পাঁচ বছরে দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৭৪ বছরের অজিত দোভাল৷ ১৯৬৮ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসারের প্রস্তাব মেনেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিদেশনীতি কার্যকর করেছে প্রথম মোদি সরকার৷ তাঁর উপদেশেই উরি ও পুলওয়ামার পর পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সরকার৷ ২০১৬-তে সীমান্ত অতিক্রম করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় সেনা৷ এবং ২০১৯-এ পাকভূমিতে ঢুকে বালাকোটে গজিয়ে ওঠা জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে এসেছে ভারতীয় বায়ুসেনা৷ কূটনৈতিক মহলের মতে, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) প্রাক্তন প্রধানকে তাঁর এই সমস্ত কৃতিত্বেরই মর্যাদা দিলেন মোদি-শাহ৷ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার পাশাপাশি আরও পাঁচ বছরের জন্য তাঁকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে বহাল রাখলেন তাঁরা৷

[ আরও পড়ুন: জলের দাবিতে আন্দোলনের জের, রাস্তায় ফেলে মহিলাকে মারধর বিজেপি বিধায়কের ]

উল্লেখ্য, ২০১৪-তে প্রথম মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত করে অজিত দোভালকে। ডোকলাম সমস্যা সমাধানেও সরকারের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি৷ চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিষয়ক আলোচনায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন দোভাল। সূত্রের খবর, কেবল মোদি সরকারই নয়, বাজপেয়ীর সরকারের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি৷ তৎকালীন গোয়েন্দাপ্রধান হিসাবে সন্ত্রাসবাসী মাসুদ আজহারকে কান্দাহারে ছেড়ে এসেছিলেন তিনিই। যা বিষয়কে ইস্যুকে এবারের নির্বাচনে দোভালকে আক্রমণে করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধীরা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement