Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Bihu

রেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম উঠল অসমের বিহুর, আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

বিহু নৃত্যে অংশ নেন ১১ হাজার ৩০৪ জন নৃত্যশিল্পী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৩, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৩, ১০:৩৬

options
link
রেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম উঠল অসমের বিহুর, আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের দরবারে নতুন স্বীকৃতি অর্জন করল অসমের (Assam) বিহু। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠল এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের। গুয়াহাটির সরুসাজাই স্টেডিয়ামে বিহু নৃত্যে অংশ নেন ১১ হাজার ৩০৪ জন নৃত্যশিল্পী। তাতে সঙ্গত করেন তিন হাজার ঢাকি। বিহু নাচ দেখতে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সদর দপ্তর লন্ডন থেকে এসেছিলেন সদস্যরা।

একসঙ্গে এক প্রাঙ্গণে এত হাজার মানুষ এর আগে কখনও বিহু (Bihu) নাচ করেননি। সে কারণেই নজির গড়ল এই অনুষ্ঠান। একই মাঠে একসঙ্গে তিন হাজার ঢুলিয়ার ঢাক বাজানোও একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। শুক্রবার থেকে অসমে শুরু হয়েছে রঙ্গোলি বিহু। তার অংশ হিসাবেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “বৃহস্পতিবার আমরা বিহু নাচ এবং ঢাক বাজানো, দু’টি ক্ষেত্রেই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছি।” এই স্বীকৃতি দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রীও। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘গাঁটছড়া’র শুটিং ফ্লোরে ‘হস্তমৈথুন’! অনিন্দ্যর ভিডিও দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়]

বিহুতে অসম সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। শুক্রবার তিনি গুয়াহাটি পৌঁছন। প্রধানমন্ত্রী গুয়াহাটিতে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম এইমস (অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক‌্যাল সায়েন্সেস)-এর উদ্বোধন করেন। এইমস ক‌্যাম্পাস নির্মাণে খরচ হয়েছে ১,১২৩ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি। তিনি নলবাড়ি, নগাঁও এবং কোকরাঝাড়ে তিনটি মেডিক‌্যাল কলেজের উদ্বোধন করেন ভারচুয়ালি। প্রধানমন্ত্রী ১৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আজকাল একটি নতুন রোগ দেখা যাচ্ছে– আগেকার সরকার অভিযোগ করে যে তারাও কয়েক দশক ধরে দেশ শাসন করেছে, কিন্তু কেন তারা কৃতিত্ব পায়নি। আমরা আপনাদের সেবক মনে করে কাজ করি, তাই উত্তর-পূর্ব আমাদের কাছে দূরের কথা মনে হয় না এবং একনিষ্ঠতার অনুভূতিও রয়ে গেছে। আজ উত্তর-পূর্বের মানুষ নিজেরাই উন্নয়নের লাগাম টেনে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ভারতের উন্নয়নের মন্ত্র।”

[আরও পড়ুন: জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীন বিস্ফোরণ, খুনের চেষ্টা?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.