Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
PM Modi on LPG Crisis

গ্যাস সংকটের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতির তুলনা! কালোবাজারিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

গত ১৩ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ। সেই সংঘাতের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে ভারতেও। যুদ্ধের আবহে গোটা বিশ্বের জন্য হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া এবং চিন। তার জেরে ভারতে বিপুল পরিমাণ তেল এবং গ্যাস আসার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৫:১৪

options
link
গ্যাস সংকটের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতির তুলনা! কালোবাজারিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর zoom
ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে বেসামাল গোটা দেশ।

ইরান যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ভারতের রান্নাঘর। জ্বালানি সংকটে বেসামাল গোটা দেশ। আতঙ্কিত আমজনতা। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on LPG Crisis)। বলেন, “পশ্চিম এশিয়ায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির জেরে ভারতে যে গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠবে দেশ। ঠিক যেমন কোভিড যুদ্ধ জয় করেছিল ভারত।”

শুক্রবার এনএক্সটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কোভিড যুদ্ধের মতো আমরা এই সংকটও কাটিয়ে উঠব। আমাদের সংকল্প স্পষ্ট। যুদ্ধের কারণে  নাগরিকদের যাতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া বাধাগুলি কাটানোর জন্য সরকার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” যুদ্ধের আগুনে দেশজুড়ে গ্যাস সংকট সৃষ্টি হতেই কালোবাজারিদের রমরমাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যাঁরা গ্যাসের কালোবাজারি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি, অসাধু ব্যবসায়ীদের লাগাম টানতে রাজ্য সরকারগুলিকে কড়া নজরদারি চালানোরও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

গত ১৩ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ। সেই সংঘাতের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে ভারতেও। যুদ্ধের আবহে গোটা বিশ্বের জন্য হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া এবং চিন। তার জেরে ভারতে বিপুল পরিমাণ তেল এবং গ্যাস আসার পথ বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকেই ভারতে ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দেয় গ্যাসের সংকট। একধাক্কায় অনেকখানি বাড়িয়ে দেওয়া হয় গৃহস্থের ব্যবহৃত এবং বাণিজ্যিক দুই গ্যাসের দামই। তবে জানা গিয়েছে, ভারতের পাতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য ইতিমধ্যেই হরমুজ খুলে দিয়েছে ইরান।

এদিকে দাম বাড়ার পরেও দেশজুড়ে কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগান। বাংলা-সহ গোটা দেশেই রান্নার গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। গ্যাস বুকিং করতে গিয়ে রীতিমতো হয়রানির মধ্যে পড়তে হয় আমআদমিকে। দেশের নানা প্রান্তে বন্ধ হতে থাকে হোটেল-রেস্তরাঁ। সংকটের মধ্যে আমজনতাও যেন অতিরিক্ত গ্যাস বুকিং এবং মজুত করে না রাখেন, তার জন্য বুকিং-এর ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের খরচ বাঁচাতে হু হু করে বাড়ছে ইনডাকশন-সহ বৈদ্যুতিন রান্নার যন্ত্রের। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। যার নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়াও কমিটিতে রয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.