BREAKING NEWS

২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর একদিন ভারতের অধীনে আসবেই’, হুংকার বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: September 17, 2019 7:41 pm|    Updated: September 17, 2019 7:41 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে কান্নাকাটি করলেও উলটে রাস্তায় হাঁটছে ভারত। তাদের লক্ষ্য এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরেই এই বিষয়টির
কথা প্রথম তুলেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে নয়, কথা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিষয়ে।’ মঙ্গলবার সেই একই কথা বললেন বিদেশমন্ত্রী ড. এস
জয়শংকর।

[আরও পড়ুন: মায়ের হাতের পায়েস খেয়ে নর্মদা প্রকল্পের সূচনায় মোদি]

দিল্লিতে আয়োজিত একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে আগাগোড়াই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। এটা ভারতেরই অংশ। আশাকরি, একদিন ওটা আমাদের অধীনে আসবেই। প্রতিবেশীর সঙ্গে ভাল ও দৃঢ় সম্পর্ক তৈরির বিষয়ে সবসময়ই আশাবাদী আমরা। কিন্তু, আমাদের এক প্রতিবেশী তাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তাই যতদিন পর্যন্ত না সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ হচ্ছে। কিংবা আমাদের প্রতিবেশীর আচরণ স্বাভাবিক হচ্ছে। ততদিন এই সমস্যা মিটবে না।’

পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করার বিষয়েও ভারত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে সেখানে কাশ্মীর নিয়ে নয়, আলোচনা পাকিস্তানের সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার বিষয় নিয়ে হবে বলেই জানান। বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে ৩৭০ ধারা নিয়ে নয়, তাদের জঙ্গিদের বিষয়ে কথা হবে। পৃথিবীর এমন একটি দেশ দেখান, যার বিদেশ নীতি হল প্রতিবেশী দেশে সন্ত্রাসবাদী হামলা করা। কিন্তু, পাকিস্তান আগাগোড়া সেই কাজই করে আসছে। এটাই গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চাই।’

[আরও পড়ুন: তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় বড়সড় ধস শেয়ার বাজারে, রেকর্ড পতন সেনসেক্সে]

আজকের সাংবাদিক বৈঠকে কুলভূষণ যাদব ও পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়েও মন্তব্য করেন বিদেশমন্ত্রী। কুলভূষণের মতো নিরীহ মানুষকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার রাস্তা খোঁজা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন। কটাক্ষ করে বলেন, ‘গত ১০০ দিনে পাকিস্তানের সিন্ধুপ্রদেশে যা ঘটেছে তা নতুন কিছু নয়। গত ৭০ বছর ধরে নাটকীয় ভাবে হিন্দুর সংখ্যা ক্রমশই কমেছে সেখানে। আমার মনে হয়, মানবাধিকার নিয়ে যদি কোনও সমীক্ষা হলে তাহলে সবাই জানে কার নাম শেষে আসবে।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement