Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
তবরেজ আনসারি

তবরেজ কাণ্ডে চার্জশিটে ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রত্যাহার পুলিশের

পরিকল্পিত খুন নয়, দাবি ঝাড়খণ্ড পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ১০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ১০:০৯

options
link
তবরেজ কাণ্ডে চার্জশিটে ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রত্যাহার পুলিশের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তবরেজ আনসারি গণপিটুনি কাণ্ডে নয়া মোড়। মামলার চার্জশিট থেকে ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রত্যাহার করল পুলিশ। তবরেজ আনসারিকে গণপিটুনির ঘটনায় ঝাড়খণ্ড পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে চার্জশিট থেকে খুনের অভিযোগ প্রত্যাহার করল পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, চূড়ান্ত রিপোর্টে হৃদরোগে মৃত্যুর কথা উল্লেখ রয়েছে। এবং পরিকল্পিত খুনের মামলা নয় এটা। তাই গত মাসে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় তুলনামূলক লঘু করে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। এই চার্জশিট ঘিরেই উঠছে প্রশ্ন। যে নৃশংস মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল, সেই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগই প্রত্যাহার করে নেওয়া হল!

[আরও পড়ুন: আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নপূরণ, প্রথম আদিবাসী মহিলা পাইলট অনুপ্রিয়া]

প্রসঙ্গত সরাইকেলা-খারসওয়ানের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টে প্রথমত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের উল্লেখ রয়েছে। দ্বিতীয়ত, পরিকল্পিত খুনের উদ্দেশ্য গ্রামবাসীদের ছিল না। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও মাথায় রক্তক্ষরণের উল্লেখ রয়েছে। যদিও পুলিশের গাফিলতি এবং চিকিৎসকদের উদাসীনতাতেই মৃত্যু হয়েছে তবরেজ আনসারির, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এমনই দাবি ছিল তদন্তকারীদের৷ মারধরের পর প্রায় চারদিন জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল তবরেজকে৷ গণপিটুনির পরই তবরেজকে তড়িঘড়ি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ওই যুবক বেঁচে যেতে পারত বলেও দাবি করেছিলেন আধিকারিকরা৷ কিন্তু ময়নাতদন্তের চূ়ড়ান্ত রিপোর্টে বদলে গেল ঘটনার মোড়।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২২ বছরের যুবক তবরেজ আনসারি পুণেতে দিনমজুরের কাজ করতেন৷ ইদের ছুটি কাটাতে গ্রামে এসেছিলেন৷ পরিজনেরা তাঁর বিয়েরও বন্দোবস্ত করেছিল। গত ১৮ জুন দুজনের সঙ্গে জামশেদপুরে যাচ্ছিলেন তবরেজ৷ অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের খারসাওয়ান দিয়ে যাওয়ার সময় চোর সন্দেহে বেশ কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে৷ সুযোগ বুঝে দুই সঙ্গী পালিয়ে যায়৷ উন্মত্ত জনতার রোষের শিকার হন তবরেজ৷ স্থানীয়রা কেউ লাঠি আবার কেউ বা হাত দিয়ে তবরেজ ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করতে থাকে৷ আক্রমণকারীদের কাছে কাকুতি মিনতি করলেও কোনও লাভ হয়নি৷ একটানা প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে এভাবেই তবরেজের উপর চলে অকথ্য অত্যাচার৷ মারধরের পাশাপাশি তবরেজকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.