Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
Delhi

পুত্রসন্তান ৮ লাখ, ‘প্রাইস ট্যাগ’ লাগিয়ে বিকোচ্ছে শিশু! দিল্লিতে ভয়ংকর পাচার চক্রের পর্দাফাঁস

দিল্লিতে বেবি মার্কেট। রীতিমতো পণ্য বিক্রির ধাঁচে প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে বিকোচ্ছে সদ্যোজাত। মেয়ের দাম ৩ থেকে ৫ লাখ, ছেলের দাম ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ১৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ১৩:৩৪

options
link
পুত্রসন্তান ৮ লাখ, ‘প্রাইস ট্যাগ’ লাগিয়ে বিকোচ্ছে শিশু! দিল্লিতে ভয়ংকর পাচার চক্রের পর্দাফাঁস zoom
প্রতীকী ছবি।

দিল্লিতে বেবি মার্কেট। রীতিমতো পণ্য বিক্রির ধাঁচে প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে বিকোচ্ছে সদ্যোজাত। মেয়ের দাম ৩ থেকে ৫ লাখ, ছেলের দাম ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা। দীর্ঘ নজরদারির পর রীতিমতো ফাঁদ পেতে এই আন্তঃরাজ্য শিশুপাচার চক্রের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। ৫ সদ্যোজাতকে উদ্ধারের পাশাপাশি চিকিৎসক, দালাল, পাচারকারী-সহ একাধিক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, এই পাচার চক্রটি দেশের নানা প্রান্তে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে টার্গেট করত। রাজস্থান ও গুজরাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশুদের সংগ্রহ করে দিল্লি–এনসিআর ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যের সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে বিক্রি করা হত। দিনের পর দিন ধরে চলছিল এই কুকীর্তি। পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, দিল্লির এক সাধারণ নাগরিকের তৎপরতায় গোটা বিষয়টি সামনে আসে। পাহাড়গঞ্জ এলাকায় এক মহিলাকে তিনি প্রায় দিন নতুন নতুন শিশুর সঙ্গে দেখতে পেতেন। এই ঘটনায় সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর দেন ওই ব্যক্তি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে নজরদারি চালানোর পর চিকিৎসক, দালাল, পাচারকারী, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য ক্রেতা-সহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহিলার উপর নজরদারি শুরু করে পুলিশ। সামনে আসে পাচারচক্রের বিষয়টি। এরপর ক্রেতা সেজে ওই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে গোটা চক্রের মাথারা পুলিশের নজরে আসে। দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে নজরদারি চালানোর পর চিকিৎসক, দালাল, পাচারকারী, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য ক্রেতা-সহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজেও শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। তদন্তে জানা গিয়েছে, চক্রটি বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুদের সংগ্রহ করে ভুয়ো নথি, জাল চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং মিথ্যা পরিচয় তৈরি করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিত। ভুয়ো গর্ভাবস্থার নাটক করে হাসপাতালের নথিও সংগ্রহ করত চক্রটি। একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে ছিল এদের জাল।

পুলিশের দাবি, বেশ কয়েক বছর ধরে দিল্লিতে সক্রিয় ছিল এই শিশুপাচার চক্রটি। গত কয়েক বছরে তারা ঠিক কতজনকে পাচার করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, অন্তত ৩০টি শিশুকে পাচার করা হয়েছে এইভাবে। যে ৫ সদ্যোজাত উদ্ধার করা হয়েছে তাদের বয়স ৫ দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে। শিশুদের নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তাদের পরিবার বা বৈধ অভিভাবকদের খোঁজে চলছে। চক্রের কাছে শিশুদের বিক্রি করা দম্পতীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.