৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo দিল্লি ২০২০ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) সঙ্গে দূরত্ব আরও খানিকটা বাড়িয়ে নিল জনতা দল ইউনাইটেড। দলের সহ-সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারকা প্রচারকদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হল পিকেকে। দিল্লি বিধানসভায় বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) জেডিইউ (JDU)। ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় নীতীশের দল লড়ছে মাত্র দুটিতে। মূলত এই দুটি আসনেই প্রচার করবেন জেডিইউ নেতারা। তাছাড়া জোটসঙ্গী বিজেপির জনসভাগুলিতেও থাকবেন তাঁরা। সেজন্য তারকা প্রচারকদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নাম নেই প্রশান্ত কিশোরের।

Prashant-Kishor-joins-JD
গতকালই বিজেপির সঙ্গে জোটে সিলমোহর দিয়েছে জনতা দল ইউনাইটেডের শীর্ষ নেতৃত্ব। ৭০ আসনের বিধানসভায় বিজেপি লড়ছে ৬৭টি আসনে। আর জেডিইউ দুই এবং এলজেপি একটি আসনে লড়াই করছে। ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেছে বিজেপি। জেডিইউ প্রকাশ করেছে তারকা প্রচারকদের তালিকা। যাতে ঠাঁই পেয়েছেন দলের সাংসদ এবং নেতারা। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পাশাপাশি তালিকায় আছেন কে সি ত্যাগী, আরসিপি সিং, বশিষ্ঠ নারায়ণ সিংয়ের মতো শীর্ষ নেতারা। অথচ, দলের সহ-সভাপতি প্রশান্ত বাদ গিয়েছেন তালিকা থেকে। মজার কথা হল, প্রশান্ত কিশোর দিল্লিতে আম আদমি পার্টির নির্বাচনী পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করছেন। আর সেকারণেই হয়তো তাঁকে ছেঁটে ফেলছে দল।

[আরও পড়ুন: বৈষম্যের করুণ রূপ! দেশের ৬৩ ধনকুবেরের মোট সম্পত্তি বাজেটের থেকেও বেশি]

প্রশান্ত কিশোর এবং জেডিইউয়ের দ্বন্দ্ব অবশ্য নতুন কিছু নয়। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে দলের ঠিক উলটো অবস্থান নিয়েছেন প্রশান্ত। তাঁর মতে, এনআরসি এবং সিএএ-র যুগলবন্দি মারাত্মক ও বিপজ্জনক। এই ইস্যুতে বিজেপির শীর্ষনেতাদের নানাভাবে তোপ দেগেছেন প্রশান্ত। নিজের দলের নেতাদেরও ছাড়েননি। এসব নিয়ে অনেকদিন ধরেই তাঁর দল ছাড়ার জল্পনা চলছে। এরই মধ্যে তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারকা প্রচারকদের তালিকা থেকে। প্রশান্তের পাশাপাশি বাদ গিয়েছেন আরেক শীর্ষ জেডিইউ নেতা পবন কুমার বর্মা। তিনিও সিএএ এবং এনআরসির বিরোধিতা করেছিলেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং