Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Prashant Kishor

‘জোটে লাভ নেই, নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে জনতার কাছে যেতে হবে’, INDIA-র সমালোচনায় পিকে ‘স্যর’

ভোটকুশলীর এহেন মন্তব্যের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বিরোধীদের তরফে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৩, ০৯:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৩, ০৯:৪৮

options
link
‘জোটে লাভ নেই, নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে জনতার কাছে যেতে হবে’, INDIA-র সমালোচনায় পিকে ‘স্যর’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনকে (Lok Sabha Election 2024) সামনে রেখে শাসক, বিরোধী শিবিরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। একদিকে, বিরোধী ২৬ দলের INDIA জোট, অন্যদিকে, শরিক ৩৮ দলকে নিয়ে এনডিএ। কংগ্রেস, তৃণমূল, আপ, জেডিইউ, আরজেডি-সহ ২৬টি বিজেপি বিরোধী দল চব্বিশের রণকৌশল স্থির করতে একাধিক বৈঠক সেরেছে। লক্ষ্য একটাই, দিল্লিতে ক্ষমতা বদল। তবে INDIA জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা আশা দেখছেন না সফল ভোট কৌশলী তথা একদা নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তাঁর মন্তব্য, ”বিরোধীরা এক হয়েছেন, এটা ভাল। তবে এভাবে একত্রিত হয়ে নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলা যাবে না যদি না কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুকে জনতার সামনে তুলে ধরতে পারে।”

প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক কার্যকলাপ সম্পূর্ণ অন্যরকম। সম্ভবত ভারতের মতো এত বড় গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি নখদর্পণে তাঁর। আর সেই কারণেই তিনি ভোট কৌশলী (Election Strategist) হিসেবে এখনও পর্যন্ত সফল। বিহারে নীতীশ কুমারের দলের সরকার প্রতিষ্ঠা, দিল্লিতে আপ, বঙ্গে তৃণমূল সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার নেপথ্যে রয়েছে পিকে ‘স্যর’-এর নিখুঁত বৈজ্ঞানিক ছক। কিন্তু তাঁর মুখেই শোনা গেল INDIA জোটের কার্যকলাপ নিয়ে সাবধানবাণী!

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত, যাদবপুরে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য]

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রীতিমতো ব্যাখ্যা করে প্রশান্ত কিশোর শোনালেন, বিরোধী জোট আদৌ কতটা সফল হতে পারে এবং কীভাবে? তাঁর কথায়, ”বিরোধীরা একজোট হচ্ছেন, ভাল কথা। এতে নির্বাচনী লড়াই আরও শক্তিশালী হয়। তবে শুধু বৈঠক, আলোচনা, নীতি নির্ধারণ করে চব্বিশের লড়াইয়ে নামলে ভুল হবে। কারণ, এভাবে কোনও নির্বাচন জেতা যায় না। নির্দিষ্ট ইস্যুতে তুলে জনতার কাছে যেতে হবে, সে বিষয়ে জনসচেতনতা, জনসমর্থন গড়ে তুলতে হবে। কর্মসূচি নিতে হবে। অনেকেই মনে করেন, ‘৭৭এ ইন্দিরা সরকারের পতন হয়েছিল বিরোধীরা একত্রিত হওয়ায়। না, ইন্দিরা সরকারের পতনের পিছনে এমার্জেন্সির খুব বড় ভূমিকা ছিল। যে কোনও রাজনৈতিক পালাবদলের নেপথ্যেই এমন কিছু কারণ থাকে। তার উপর ভিত্তি করেই লড়াই হয়।” নাহলে জোট গড়ে কোনও লাভ নেই বলেই মনে করেন প্রশান্ত কিশোর।

[আরও পড়ুন: বাস্তবের ‘হাম দিল দে চুকে সনম’, ৮ বছর সংসারের পর স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী!]

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে ক্ষমতায় ধরে রাখতে দলের বেশ কয়েকটি কর্মসূচি ‘দিদিকে বলো’, ‘বাংলার গর্ব মমতা’র ব্যাপক সাফল্য কাজ করেছে। এসবের পিছনে ছিল তৎকালীন তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্ক এবং তাঁর টিমের কাজ। INDIA জোট নিয়ে এহেন ব্যক্তিত্বের ‘ভবিষ্যৎ বাণী’ যে যথেষ্ট গুরুত্বের, তা বলাই বাহুল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.