৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেখতে অনেকটাই ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর মতো। রাজনৈতিক বিচক্ষণতায়ও তুলনায় রাহুল গান্ধীর থেকে এগিয়ে তিনি। বলা হয়েছিল তিনিই নাকি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের তুরুপের তাস। তবে বৃহস্পতিবার বেলা শেষে দেখা গেল ডাহা ফেল রাজীবকন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

[‘ধর্মযুদ্ধে জয়ী হলাম’, বিরাট ব্যবধানে জিতে প্রতিক্রিয়া সাধ্বী প্রজ্ঞার]

এতদিন মা সোনিয়া এবং দাদা রাহুল গান্ধীর হয়ে রায়বরেলি ও আমেঠি নির্বাচনী কেন্দ্র দু’টি নেপথ্যে সামলে আসছিলেন। এই প্রথমবার এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সরাসরি মোদির বিরদ্ধে ময়দানে নেমেছিলেন তিনি। তাঁকে দেখতে ব্যাপক উৎসাহ থাকলেও তা ভোটে পরিণত হয়নি। আপাতত প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সেলফির বোতাম টিপলেও, ইভিএম-এ পদ্মফুলেই ছাপ দিয়েছেন ‘ফ্যান’রা। মোদির মতো ‘আগ্রাসী’ নেতার নেতৃত্বাধীন বিজেপিকে বেগ দিতে পারলেন না রাজীবকন্যা। পরীক্ষায় ডাহা ফেল হয়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা। তাই কংগ্রেসের ভরাডুবির পর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আর কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামিদিনে তাঁকে কি কেউ আর কংগ্রেসের ক্যারিশ্মাটিক নেত্রী হিসেবে আদৌ জায়গা দেবেন? নাকি এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে আগুন পাখি হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন প্রিয়াঙ্কা? তা সময়ই বলবে। বারাণসী থেকে মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়ার জল্পনা থাকলেও শেষপর্যন্ত আসরে নামেননি প্রিয়াঙ্কা। বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের মাঠে প্রথম ম্যাচেই ক্লিন বোল্ড হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত। তবে নিজের দুর্বল জায়গা আড়াল করেননি রাজীবকন্যা। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, মোদিকে হারানোর কোনও ম্যাজিক তাঁর জানা নেই। সবাই মিলেই লড়াই করতে হবে।

এক্সিট পোলের ফলাফলকে অস্বীকার করে দলীয় কর্মীদের ভোটগণনায় সজাগ থাকার বার্তা দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। একই পাহারার কথা বলেছিলেন রাহুল গান্ধীও। কিন্তু দিনের শেষে দেখা গেল জনতা কংগ্রেসের থেকে মুখ ফিরিয়েছে। পূর্ব-উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নিয়ে দিনরাত প্রায় এক করে ঘর গোছানোর চেষ্টা করেছেন প্রিয়াঙ্কা। বারাণসীতে রোড শো করেছেন। নৌকাযাত্রায় গঙ্গাবক্ষে অভিনব প্রচার সেরেছেন। কিন্তু আদতে মানুষের মন পড়ে উঠতে পারেননি প্রিয়াঙ্কা। তাই কমবেশি যেসব জায়গাতেই দলের ‘স্টার প্রচারক’ হিসেবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রোড শো করেছেন, যেসব প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করেছেন, তাঁদের কেউই প্রায় জেতেননি। কৃষক, রাফালে, নোটবন্দি কোনও ইস্যুই কাজে দিল না! কেন দিল না? অবশ্যই এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা, কেউই তাঁদের বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেননি। বৃহস্পতিবার বেলার দিকে রাহুলের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজের লোধি রোডের বাংলোয় চলে যান প্রিয়াঙ্কা। পরে ১০ জনপথে মা সোনিয়া গান্ধীর কাছে যান। কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে আলোচনায় ভেঙে না পড়ে হারের শিক্ষা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা বলেই দলীয় সূত্রে খবর।

[‘মোক্ষম চড়’, নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজের পরাজয়ের স্বীকারোক্তি প্রকাশ রাজের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং