৪ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মূল ধারার রাজনীতিতে একেবারেই আনকোরা৷ বিতর্কও কম হয়নি তাঁকে নিয়ে৷ তবু জয়ী হয়ে দলের মুখ উজ্জ্বল করলেন  ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা৷ তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের বহু অভিজ্ঞ নেতা দিগ্বিজয় সিং৷ প্রায় তিন লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মালেগাঁও বিস্ফোরণের অভিযুক্ত প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর৷ আর এখানেই ফের প্রমাণিত, এবারের ভোটযুদ্ধের ভিত্তি পুরোপুরি ধর্মীয় মেরুকরণ৷ আর সেই তাসেই জয় হয়েছে সাধ্বী প্রজ্ঞা, সাক্ষী মহারাজের মতো উগ্র হিন্দুত্ববাদী ব্যক্তিত্বদের৷

[ আরও পড়ুন: ‘মোক্ষম চড়’, নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজের পরাজয়ের স্বীকারোক্তি প্রকাশ রাজের]

সকাল থেকে ভোটের ট্রেন্ডে বারবার এগিয়ে গিয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা৷ দ্বিগিজয় সিংয়ের বিপরীতে তাঁর লড়াই যে খুব একটা কঠিন নয়, তাই যেন পরোক্ষে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী৷ বেলা গড়াতেই জানা যায় প্রায় তিন লক্ষ ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি৷ সাধ্বী বলেন, ‘‘এটা ধর্মযুদ্ধ। অধর্মের নাশ করতে এসেছি৷ ধর্মযুদ্ধে জয়ী হয়েছি৷’’

[ আরও পড়ুন: গুরদাসপুর থেকে এগিয়ে সানি লিওনে! অর্ণব গোস্বামীকে কী বললেন অভিনেত্রী?]

মালেগাঁও বিস্ফোরণের অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ভোপাল থেকে প্রার্থী হিসাবে গেরুয়া বসনধারী সাধ্বী প্রজ্ঞাকে বেছে নিয়েছিল বিজেপি৷ তা নিয়ে মাথাচাড়া দিয়েছিল নানা বিতর্ক৷ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগে যিনি অভিযুক্ত তাকে কীভাবে প্রার্থী করা সম্ভব৷ যদিও বিরোধীদের কুমন্তব্যের জবাব দিতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির৷ বিস্ফোরণ কাণ্ডের সঙ্গে তাঁর নাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে পালটা দাবি করে গেরুয়া শিবির৷ সেই অন্যায়ের জবাব দিতেই সাধ্বীকে প্রার্থী করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিল বিজেপি৷ নির্বাচনের ঠিক আগে বেফাঁস মন্তব্য করে একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা৷

শহিদ হেমন্ত কারকারে নাকি তাঁর অভিশাপে মারা গিয়েছেন, দাবি করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী৷ তা নিয়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়৷ এই শোরগোলের মাঝেই আবারও গডসেকে ‘দেশপ্রেমিক’ বলেও বিতর্ক বাড়িয়েছিলেন তিনি৷ যদিও প্রতিটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি৷ খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন৷ মোদি বলেছিলেন,‘‘উনি ক্ষমা চেয়েছেন। তবে ক্ষমা করতে পারব না।’’ ভোটের আগে যতই বেফাঁস মন্তব্য করুন না কেন, তাতে যে ভোটবাক্সে একটুও প্রভাব পড়েনি তা স্পষ্ট হয়েছে ফলপ্রকাশের পর৷ শুধু সাধ্বী প্রজ্ঞাই নন, উন্নাও থেকে জয়ী হয়েছেন সাক্ষী মহারাজ৷ রাজনীতিকদের মতে, উগ্র হিন্দুত্ববাদ নিয়ে যতই আলোচনা-সমালোচনা হোক না কেন, ওই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই ভোট বৈতরণী পার করলেন এই দুই প্রার্থী৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং