Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Tirupati

লাড্ডুতে পশুর চর্বি! তিরুপতি মামলায় সিবিআই তদন্তে গ্ৰেপ্তার ৪

ভুয়ো তথ্য দিয়ে এআর ডেয়ারির নামে টেন্ডার আদায় করেছিল বৈষ্ণবী ডেয়ারি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫, ০৯:০৬

options
link
লাড্ডুতে পশুর চর্বি! তিরুপতি মামলায় সিবিআই তদন্তে গ্ৰেপ্তার ৪ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিরুপতি বালাজি মন্দিরে প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি! দেশজুড়ে সাড়া ফেলে দেওয়া সেই মামলার তদন্তে এবার চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল সিবিআই। অভিযোগ, ভুয়ো নথি দিয়ে টেন্ডার হাসিল করেছিল অভিযুক্তরা। তার ভিত্তিতে মন্দিরে যে ঘি দেওয়া হত তাতে মেশানো হত পশুর চর্বি। সোমবার অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা হলে চার জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

তিরুপতির শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি এবং মাছের তেল ব্যবহার হয়েছে। পূর্ববর্তী জগনমোহন রেড্ডির সরকার থাকাকালীন এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ তোলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন সনাতনীরা। ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়। গত বছরের অক্টোবর মাসে লাড্ডু মামলায় নিরপেক্ষ কমিটি গড়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাঁচজন সদস্যকে নিয়ে গঠিত হয় এই কমিটি। সেখানে ছিলেন দুই সিবিআই আধিকারিক, অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের দুই আধিকারিক এবং FSSAI-এর একজন শীর্ষ কর্তা। ৪ মাস পর এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল।

Advertisement

গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে রবিবার সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তিরুপতি মন্দিরে যে ঘি জোগান দেওয়া হত তাতে ভেজাল মেশানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন, রুড়কির ভোলেবাবা ডেয়ারির প্রাক্তন নির্দেশক বিপিন জৈন, বৈষ্ণবী ডেয়ারির সিইও অপূর্ব বিনয়কান্ত চাবড়া, এআর ডেয়ারির এমডি রাজু রাজশেখরন-সহ আরও একজন। আধিকারিকদের দাবি, মন্দিরে ঘি জোগান দিতে ভুয়ো তথ্য দিয়ে এআর ডেয়ারির নামে টেন্ডার আদায় করেছিল বৈষ্ণবী ডেয়ারি। তবে মন্দিরের বিরাট চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা ছিল না বৈষ্ণবী ডেয়ারির। ফলে ভোলেবাবা ডেয়ারি থেকে ঘি কিনে তাতে ভেজাল মিশিয়ে পাঠানো হত তিরুপতি মন্দিরে।

তিরুপতি মন্দিরে প্রসাদী লাড্ডুর বিরাট চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন ১৫ হাজার কিলো ঘি প্রয়োজন পড়ে। সেখানে তামিলনাড়ুর এআই ফুডস ৩২০ টাকা কিলো দরে ঘি সাপ্লাই করার টেন্ডার হাসিল করে। গত বছরের ৮ জুলাই ৮টি ট্যাঙ্কারে করে আসা ঘি-এর মধ্যে চারটি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ১৭ জুলাই সেই তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে যেখানে দাবি করা হয় ঘিতে রয়েছে মাছ ও পশুর চর্বি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.