Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

জঙ্গি হামলার বদলা চাই, ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবি ক্ষুব্ধ দেশবাসীর

পাক-বিরোধী স্লোগানে মোমবাতি মিছিলে শামিল সাধারণ মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯, ০৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯, ০৯:৪৭

options
link
জঙ্গি হামলার বদলা চাই, ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবি ক্ষুব্ধ দেশবাসীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর কোনও সমঝোতা নয়। আর ঠান্ডা ঘরে বসে আলোচনা নয়। আর বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব নয়। অনেক হয়েছে। এবার বদলা চাই। পুলওয়ামার ঘটনায় ঠিক এভাবেই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। রাগে ফুঁসছে দেশবাসী। আর কোনওমতেই সন্ত্রাসবাদকে বরদাস্ত করা হবে না। এবার বড়সড় শিক্ষা দিতে হবে পাকিস্তানকে। এই স্লোগানেই সরব হয়েছে ভারত। পুলওয়ামার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনায় পথে নেমে পড়েছেন আপামর জনতা।

[কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় শহিদ হাওড়ার জওয়ান, বাড়ি ফিরছে কফিনবন্দি দেহ]

বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলওয়ামা জেলার শ্রীনগর-অনন্তনাগ হাইওয়ের উপর দিয়ে জম্মু থেকে শ্রীনগরের দিকে যাচ্ছিল সিআরপিএফের ৫০টি গাড়ির কনভয়। আচমকাই ২০০ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি ওই কনভয়ে ঢুকে পড়ে৷ ধাক্কা মারে জওয়ানদের বাসে৷ সঙ্গে সঙ্গে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গুলি চালায়। ঘটনায় অন্তত ৪৪ জন জওয়ান শহিদ হন। আহত বহু। জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ ইতিমধ্যেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। স্বাধীন ভারতে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলার সাক্ষী হয়েছে দেশবাসী। জঙ্গি সংগঠনের এমন দুঃসাহস মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কড়া ভাষায় বলেছেন, জওয়ানদের মৃত্যু ব্যর্থ হবে না। কিন্তু আর ধৈর্য রাখতে পারছে না দেশবাসী। যত দ্রুত সম্ভব এর প্রতিশোধ নিতে চায় দেশ।

Advertisement

বৃহস্পতিবারই দেশের একাধিক রাজ্যে মোমবাতি মিছিলে শামিল হন হাজার হাজার মানুষ। যে কাশ্মীরের বুকে ঘটে গিয়েছে এমন ভয়ংকর ঘটনা, সেই ভূ-স্বর্গও স্তব্ধ হয়ে যায়নি। কাশ্মীরের বাসিন্দারাও প্রতিবাদে পথে নেমেছেন। জুয়েল চক, পুরানি মান্ডি, জনিপুর, গান্ধীনগর-সহ বিভিন্ন এলাকায় মোমবাতি মিছিল করেন ক্ষুব্ধ জনতা। ভোপালে প্রতিবাদ মিছিল করেন বিজেপি কর্মীরা। এছাড়াও মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ গর্জে ওঠে পাক-বিরোধী, সন্ত্রাস বিরোধী স্লোগানে। মোমবাতি হাতে পথে নামেন হাওড়ার বাসিন্দারা। শ্রদ্ধা জানানো হয় শহিদদের। বজরং দল, শিব সেনা থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ – প্রত্যেক সংগঠনই শামিল হয়েছে প্রতিবাদে। এমন পরিস্থিতিতে ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবি তুলছে গোটা দেশ।

[কীভাবে কনভয়ে ঢুকে হামলা চালাল জঙ্গিরা? পুলওয়ামার ঘটনায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা]

এদিকে পুলওয়ামার ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীরজুড়ে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে। রাজ্যের মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, জম্মু হাই কোর্টের পাশাপাশি অন্যান্য আদালতের কাজকর্মও বন্ধ রাখা হয়েছে। কাশ্মীরে আজ, শুক্রবার বনধ ডেকেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.