সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাটনার ১০ নম্বর সার্কুলার রোডের বাংলো শেষ পর্যন্ত খালি করে দিচ্ছে লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) পরিবার! বৃহস্পতিবার রাতের অন্ধকারে ১০ সার্কুলার রোডের বাংলো থেকে আসবাবপত্র সরানো হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, একপ্রকার বাধ্য হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লালুর পরিবার ওই ঐতিহাসিক বাংলো ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিহারে সরকার গঠনের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে লালু পরিবারের। আরও একবার এরাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে এনডিএ। ক্ষমতা দখলের পরই পাটনার ১০ সার্কুলার রোডের সরকারি বাংলো খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের পরিবারকে। আরজেডির রাজনৈতিক তৎপরতার মূল কেন্দ্র ছিল ১০ সার্কুলার রোডের এই সরকারি বাংলো। রাবড়ি দেবীর (Rabri Devi) নামে বরাদ্দ এই বাড়ি থেকেই কার্যত পরিচালিত হত দল।
২ দশক ধরে ওই বাড়িতেই রয়েছেন রাবড়ি এবং লালু। প্রাথমিকভাবে আরজেডির তরফে দাবি করা হচ্ছিল, কোনওভাবেই ওই বাংলো খালি করা হবে না। নীতীশ কুমারের সরকার যে নোটিস দিয়েছিল সেটার জবাবে আরজেডি নেতৃত্ব জানিয়েও দেয়, ১০ সার্কুলার রোডের বাড়িতে লিফট রয়েছে। লালুর স্বাস্থ্যের যা অবস্থা তাতে ওই লিফট তাঁর প্রয়োজন। তাই বাড়ি ছাড়া হবে না। কিন্তু তাতে লাভের লাভ হয়নি। লালু পরিবারকে বাড়ি ছাড়তেই হবে, জানিয়ে দেয় বিহার সরকার। অগত্যা বাড়ি ছাড়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন রাবড়ি দেবীরা।
সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী লালু পরিবারের নয়া ঠিকানা হতে চলেছে হার্ডিং রোডে ৩৯ নম্বর সেন্ট্রাল পুল হাউস। যদিও বৃহস্পতিবার রাতে আসবাব পত্র সেখানে গিয়েছে নাকি অন্যত্র, তা স্পষ্ট নয়। একটা জিনিস স্পষ্ট, রাবড়ি দেবী ১০ সার্কুলার রোডের বাড়ি ছাড়ছেন। যা বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় চক্র সম্পূর্ণ করার ইঙ্গিত। লালু পরিবার ও আরজেডির কাছে ১০ সার্কুলার রোডের বাংলোটি ধরে রাখাটা প্রেস্টিজ ইস্যু ছিল। ওই বাড়িটি লালুর দল ও আদর্শের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ওই বাংলো হাতছাড়া হওয়াটা রাজনৈতিকভাবে বিরাট ধাক্কা আরজেডির প্রধান পরিবারের জন্য।
সর্বশেষ খবর
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ