২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতি। এবার নেতাজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে মারাত্মক ভুল করলেন রাহুল। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে কংগ্রেস সভাপতি দাবি করলেন নেতাজির মৃত্যু হয়েছে। অন্তত, টুইটে তাঁর পোস্ট করা ছবিতে নেতাজির জন্মদিনের পাশাপাশি, লেখা রয়েছে তাঁর মৃত্যুদিনও। না, মৃত্যুদিন কথাটা উল্লেখ না থাকলেও এমনভাবে ১৮ আগস্ট, ১৯৪৫ তারিখটা লেখা রয়েছে, যেন মনে হচ্ছে সেদিনই শহিদ হয়েছেন স্বাধীনতার বীর সেনানি। প্রশ্ন উঠছে তবে কী কংগ্রেস মেনে নিল ১৮ আগস্টের সেই বিমান দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারিয়েছেন দেশনায়ক। আর যদি তাই হয় তাহলে এতদিন তা প্রকাশ করা হয়নি কেন। কী প্রমাণের ভিত্তিতে এই দাবি করছেন কংগ্রেস সভাপতি। নাকি এটা নেহাতই কোনও অনিচ্ছাকৃত ভুল? এই নিয়ে এখন তুঙ্গে বিতর্ক।

[আমেঠিতে হারের আশঙ্কা, রাহুলের জন্য নিরাপদ আসনের খোঁজে কংগ্রেস]

১৮ আগস্ট ১৯৪৫ সালে তাইওয়ানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু, তাঁর স্বপক্ষে এখনও পোক্ত কোনও প্রমাণ কোনও বিশেষজ্ঞই পেশ করতে পারেননি। অনেকেই মনে করেন সেদিনের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি মারা যাননি। অন্তর্হিত হয়েছিলেন শুধু। তাহলে, এহেন বিতর্কিত বিষয় রাহুল টুইটে কেন উল্লেখ করলেন। তিনি কী এই ইতিহাস জানেন না, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নেতাজিকে অসম্মান করা হচ্ছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নেতাজিকে অসম্মান করার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। নেহেরু-গান্ধীদের সম্মান করতে গিয়ে সুভাষচন্দ্রকে কংগ্রেস উপযুক্ত সম্মান দেয়নি বলেই অভিযোগ তোলে বিরোধীরা।

[জন্মজয়ন্তীতে নেতাজিকে স্মরণ, দেশনায়ককে শ্রদ্ধা মোদি-মমতার]

নেতাজির মৃত্যু নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। তবে, কংগ্রেস শুরু থেকেই বিশ্বাস করে সেই বিমান দুর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয়েছে সুভাষচন্দ্রের। ১৯৪৬ সালে খোদ বল্লবভাই প্যাটেলও একথা জানিয়েছিলেন।মোরারজি দেশায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালীনও এই একই বয়ান দিয়েছিলেন।  কিন্তু নেতাজির মৃত্যু রহস্যের এখনও সমাধান হয়নি। এ নিয়ে অনেক কমিটি, কমিশন তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবিকক্ষেত্রে এখনও দেশনায়কের মৃত্যুর কোনও ঘোষিত তারিখ নেই। তাহলে, কীভাবে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের সভাপতি এভাবে তাঁর মৃত্যুর তারিখ ঘোষণা করছেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না গবেষকরা। বিরোধীরা বলছেন, এটা স্রেফ সুভাষচন্দ্রের প্রতি কংগ্রেসের অশ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং