Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Rahul Gandhi

আচমকাই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনুপ্রবেশ’ রাহুলের! ‘বাতিল অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ ABVP-র

'নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ইচ্ছাকৃতভাবে অবজ্ঞা করেছেন রাহুল', তোপ এবিভিপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৫, ১৩:৪৯

options
link
আচমকাই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনুপ্রবেশ’ রাহুলের! ‘বাতিল অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ ABVP-র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মব্যস্ত দিনে আচমকাই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের অফিসে হাজির হলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর এই ঝটিকা সফর ঘিরে ক্ষুব্ধ বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। শুধু তাই নয়, রাহুলের সফরে বিরক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, বছরদুয়েক আগে আচমকাই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসেও চলে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ।

বর্তমানে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন NSUI-এর সদস্য রোনাক ক্ষত্রী। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে আচমকাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের দপ্তরে হাজির হন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর রজনী আব্বি বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘কর্তৃপক্ষকে আগাম নোটিস না দিয়ে আচমকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে চলে আসেন রাহুল গান্ধী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে অফিসে ছিলেন। সেই সময়টুকু গোটা অফিস ঘিরে রেখেছিল রাহুলের নিরাপত্তাবাহিনী। এমনকি সংসদের সচিবকেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আটকে দিয়েছিল NSUI-এর সদস্যরা।’

রাহুলের আচমকা সফরের তীব্র প্রতিবাদ করেছে এবিভিপিও। বর্তমানে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের একাধিক পদেই রয়েছেন এবিভিপি সদস্যরা। দলের তরফে রাহুলের ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়, ‘বাতিল হওয়া অভিনেতা যেভাবে ছাত্রদের নাটকের মাঝে জোর করে ঢুকে পড়ে, ঠিক সেভাবেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর কোনও ভূমিকা নেই, কেউ আমন্ত্রণ করেনি, কেবল কটাক্ষ হবে।’ সংসদের সচিব তথা এবিভিপি নেত্রী মিত্রাবিন্দা করনওয়াল বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ইচ্ছাকৃতভাবে অবজ্ঞা করেছেন রাহুল।

উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে আচমকাই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর বিভাগের হস্টেলে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ। সেখানে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সঙ্গে বসে দুপুরের আহারও সেরে নেন। তার জেরে রাহুলকে নোটিস ধরিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। হস্টেল চত্বরে পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোনও ধরনের কার্যকলাপে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন একজন রাজনীতিক সেখানে গেলেন, এই প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু আবারও একইভাবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনুপ্রবেশ’ করলেন রাহুল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.