Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Amit Shah-Rahul Gandhi

‘অমিত শাহ ভীষণ চাপে ছিলেন, ওঁর হাত কাঁপছিল’! লোকসভায় বাকযুদ্ধ নিয়ে বললেন রাহুল

বুধবার লোকসভায় তুমুল বাকযুদ্ধে জড়িয়েছিলেন শাহ এবং রাহুল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:২৮

options
link
‘অমিত শাহ ভীষণ চাপে ছিলেন, ওঁর হাত কাঁপছিল’! লোকসভায় বাকযুদ্ধ নিয়ে বললেন রাহুল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিডিটাল ডেস্ক: ভোটচুরির অভিযোগ নিয়ে বলতে গিয়ে বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন অমিত শাহ। বেশ চাপে ছিলেন তিনি। তাঁর হাতও কাঁপছিল। লোকসভায় এসআইআর নিয়ে আলোচনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষণ নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

বুধবার লোকসভায় তুমুল বাকযুদ্ধে জড়িয়েছিলেন শাহ এবং রাহুল। শাহের ভাষণের মাঝেই উঠে দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলেছিলেন রাহুল। তাঁর তোলা ভোটচুরির অভিযোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন। তাতে দৃশ্যত ক্রুদ্ধ হয়ে রাহুলের উদ্দেশে শাহ বলেন, “আপনার কথা মতো আমি বক্তৃতা করব না। ধৈর্য রাখুন। আমার যখন যেটা বলার, তখনই সেটা বলব।” শাহের ‘ক্রোধ’ নিয়ে পর ক্ষণে কটাক্ষ করেন রাহুলও। বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘাবড়ে গিয়ে, ভয় পেয়ে এ রকম প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন!” পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ভোটচুরি’ নিয়ে নেহরু-গান্ধী পরিবারকেই নিশানা করেছেন। বলেছেন, “আপনার পরিবার ভোটচোর।” পরে রাহুল জানান, তিনি প্রশ্নের জবাব শাহের থেকে পাননি।

Advertisement

বৃহস্পতিবারও সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল বলেন, “অমিত শাহজি ভীষণই চাপে ছিলেন। খারাপ ভাষায় কথা বলছিলেন। ওঁর হাত কাঁপছিল। ভীষণ মানসিক চাপে ছিলেন। সকলেই তা দেখেছেন। আমি যা জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তার সরাসরি জবাব পাইনি। উনি কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি। আমি তো ওঁকে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যে, আমার সাংবাদিক বৈঠকগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা হোক। আমি কোনও উত্তর পাইনি।” একটি অসমর্থিত সূত্রের দাবি, লোকসভার অধিবেশনের আগে জ্বর হয়েছিল শাহের। তাঁর শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ছিল। ওষুধ খেয়ে তিনি লোকসভায় বক্তৃতা করেছিলেন।

শাহের বক্ৃতার সময়েই রাহুলকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তাঁর ‘ভোটচুরির’ অভিযোগগুলি নিয়ে সংসদে আলাদা বিতর্ক করা যায়। জবাবে ‘কংগ্রেসের ভোটচুরির’ তিনটি পাল্টা দৃষ্টান্ত দেখিয়ে শাহ জানান, প্রথমত, স্বাধীনতার পরে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেই ভোটাভুটিতে দু’টি ভোট পেয়েছিলেন নেহরু। আর বল্লভভাই পটেল ২৮টি। তবু নেহরুই প্রধানমন্ত্রী হন। দ্বিতীয়ত, ইলাহাবাদ হাই কোর্ট ১৯৭৫ সালে ইন্দিরার নির্বাচন অবৈধ বলে ঘোষণা করলেও, ক্ষমতা ধরে রাখতে জরুরি অবস্থা জারি করেন তিনি। এর পাশাপাশি, সম্প্রতি দিল্লির কোর্টে সনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিক হওয়ার আগে ভোটার হয়েছিলেন কি না, এই সংক্রান্ত একটি মামলা উঠেছে। শাহ বলেন, “ওই তিনটি উদাহরণ হল, আসল ভোট চুরির উদাহরণ।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.