২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

‘দেশবাসীকে জানান কী হচ্ছে’, ইন্দো-চিন সীমান্ত বিবাদ নিয়ে মোদিকে প্রশ্ন রাহুলের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: May 29, 2020 3:09 pm|    Updated: May 29, 2020 3:09 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-চিন (India-China) সীমান্ত বিবাদ নিয়ে কেন্দ্রকে একাধিক প্রশ্নবাণে বিঁধলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সীমান্ত বিবাদ নিয়ে কেন এত নীরব কেন্দ্রীয় সরকার? জানতে চেয়ে টুইটে ঝড় তুললেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্তে ঠিক কী হচ্ছে তা দেশবাসীকে জানানোর দাবি তোলেন ওয়ানাড় সাংসদ।

চলতি মাসের শুরু থেকেই ধিকি ধিকি আগুন জ্বলছে ভারত-চিন সীমান্তে। লাদাখে ‘লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল’-নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের বিবাদ রোজ নতুন মোড় নিচ্ছে। অথচ তা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে কেন্দ্র! সীমান্তে কী হচ্ছে তা জানা প্রয়োজন দেশবাসীরও। তাই অবিলম্বে কেন্দ্রকে এই প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি তোলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এদিন টুইট করে তিনি জানান, “সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের এই নীরবতা বড় কোনও বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে না তো? সরকার দেশবাসীকে পরিষ্কার করে বলুক, ঠিক কী হচ্ছে সীমান্তে। লাদাখ নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র? তা দেশবাসীকে জানিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখুক মোদি সরকার।” কয়েকদিন আগেও ইন্দো-চিন সীমান্তের সমস্যা নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে সাংবাদিকদের সামনে প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতা। কেনও এক লুকোছাপা? লাদাখ নিয়ে সরকার কী ভাবছেন তা কেন স্পষ্ট করছেন না জনসাধারণের সামনে? সেই বিষয়ে জানতে চান সোনিয়া পুত্র।

ওয়ানাড় সাংসদ টুইটে আরও বলেন, “ইন্দো-চিন সীমান্ত নিয়ে রোজই নিত্য নতুন খবর মিলছে। প্রকৃত অর্থে কী ঘটছে সরকার তা স্পষ্ট করুক।” সঠিক তথ্য না জেনে অনুমানের বশে কোনও মন্তব্যও করতে চান না বলেই এদিন জানান সাবধানী রাহুল গান্ধী।

[আরও পড়ুন:এবার আরও সহজ রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বুক করা, জেনে নিন কীভাবে?]

তবে ইন্দো-চিন সীমান্ত বিবাদ নিয়ে কোনও মধ্যস্থতা চায় না নয়া দিল্লি। চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ নিয়ে আপাতত কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ তাদের প্রয়োজন নেই বলেই বৃহস্পতিবার সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। একটি দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী দেশ হিসেবে চিনের সঙ্গে বিবাদ মেটানোর ক্ষমতা যে ভারতের রয়েছে তা পরোক্ষভাবে ‘বন্ধু’ ট্রাম্প বুঝিয়ে দেয় ভারত।

[আরও পড়ুন:সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের গুণগান, মামলা আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পড়ুয়ার নামে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement