BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

১১ জুলাই দেশজুড়ে রেল ধর্মঘটের ডাক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 7, 2016 2:11 pm|    Updated: June 7, 2016 3:15 pm

An Images

সুব্রত বিশ্বাস: আগামী ১১ জুলাই দেশজুড়ে রেল ধর্মঘটের ডাক দিল রেলের শ্রমিক সংগঠনগুলি৷ এজন্য আগামী ৯ জুন প্রতিটি জোনের জেনারেল ম্যানেজারদের নোটিস দেওয়া হবে৷ সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশের প্রতিবাদে ও এগারো দফা দাবির ভিত্তিতে এই ধর্মঘটের ডাক৷ ন্যাশনাল জয়েন্ট কাউন্সিল তথা অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে মেনস ফেডারেশন ও ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ধর্মঘটের দিন নির্ধারণ করেছিল আগামী ১১ এপ্রিল৷ এজন্য যাবতীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল৷ নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ায় ধর্মঘটের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়৷ এজন্য তৈরি করা পোস্টার, ব্যানার সবই অকেজো হয়ে যায়৷ এআইআরএফের সাধারণ সম্পাদক শিবগোপাল মিশ্র জানিয়েছেন, সপ্তম পে-কমিশনে রেল শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়নি৷ তাই এই ধর্মঘট নিশ্চিত৷ কেন্দ্র রেলকর্মীদের দাবি মানলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে৷ না হলে নয়৷ ধর্মঘটের পক্ষে জোন ভিত্তিক রায় নেওয়া হয়েছিল৷ ধর্র্মঘটকে সমর্থন জানায় প্রায় ৯৫ শতাংশ বলে সংগঠনের দাবি৷
রাজ্যের মধ্যে অবস্থানকারী পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের শ্রমিক সংগঠনগুলিও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল, আগামী ১১ এপ্রিল থেকে তাঁরা ধর্মঘটে নামার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন৷ শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন ঘোষণার পর এই দিন পিছিয়ে ১১ জুলাই করা হয়৷ এনিয়ে কর্মীদের অনেকের আশঙ্কা, জুলাই মাস রেলের ‘পিক’ সময়৷ সে সময় ধর্মঘট কতটা সফল হবে, এনিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে৷ যদিও সংগঠনগুলি জানিয়েছে, ১৯৬০ সালের ১১ জুলাই ভারতীয় রেলে প্রথম ধর্মঘট হয়েছিল৷ সেকথা স্মরণ করেই এই দিন নির্ধারণ৷ রেলের জাতীয় স্তরের মূল শ্রমিক সংগঠন দু’টি ধর্মঘটের পথে যেতে চাইলেও প্রায় ৪০ শতাংশ শ্রমিক মানসিকভাবে ধর্মঘটের বিরোধী বলে জানা গিয়েছে৷ রেলকর্মীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে ১৯৭৪ সালে রেল ধর্মঘট হয়েছিল৷ ১৮ দিনের এই ধর্মঘটে পুলিশ রেলকর্মীদের বাড়ি থেকে তুলে এনে গারদে পুরেছিল৷ সেদিন কেন্দ্রীয় ভিত্তিক সংগঠনগুলিও ছিল প্রভাবশালী৷ যার মূলে ছিলেন জর্জ ফার্নান্ডেজ৷ ছিলেন রাজনারায়ণ৷ এখন সেই সংগঠনের প্রভাব অঞ্চলভিত্তিক হওয়ায় নেতৃত্ব নিয়েও সংশয় রয়েছে কর্মীদের মনে৷ তবে সেই ধর্মঘটের যে প্রভাবে উপকৃত হয়েছিলেন কর্মীরা তা হল, যেসব রেলকর্মীরা ধর্মঘট উপেক্ষা করে কাজ করেছিলেন, তাঁদের সন্তানদের ‘লয়েল কোটা’য় চাকরি হয়েছিল রেলে৷ এখন যা অসম্ভব৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement