Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কাতর আর্তনাদ আহতদের, সেলফি তুলতে ব্যস্ত পথচারী

অমানবিক!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ০৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ০৯:৩৯

options
link
দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কাতর আর্তনাদ আহতদের, সেলফি তুলতে ব্যস্ত পথচারী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশেষজ্ঞদের মতে, সেলফি তোলা আসলে ভালবাসা নয়, একপ্রকার নেশা। আর বাস্তবে সেই নেশা যে কোন সীমানা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, তা ভাবলেও বিস্মিত হতে হয়। রাস্তায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ছটফট করছেন তিনজন। তাঁদের সাহায্য তো দূর অস্ত, উলটে মোবাইল বের করে আহতদের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে গেল।

চমকে উঠলেও মঙ্গলবার এমন ঘটনাই ঘটেছে রাজস্থানের বারমের জেলায়। সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে এখন এক ছবি বা ভিডিওতেই রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠা যায়। তাই প্রতিযোগিতার বাজারে সকলেই মশলাদার কোনও বিষয় খুঁজতে থাকে যার ছবি বা ভিডিও আপলোড করতে পারলেই কেল্লাফতে। আর সেই নেশাতেই মশগুল এ সমাজের একাংশ। তাতে আহতের প্রাণ বেরিয়ে গেলেও কুছ পরোয়া নহি। সেলফির কীট একটু একটু করে খেয়ে ফেলছে মানবিকতাকে।

Advertisement

[তিনদিনের রোমহর্ষক অভিযান শেষ, থাইল্যান্ডের গুহা থেকে উদ্ধার ১২ ফুটবলার ও কোচ]

মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ চৌতাহান এলাকায় মোটরবাইকে করে যাওয়ার সময় আচমকাই একটি স্কুল বাস ধাক্কা মারে তিন বাইক আরোহীকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২৭ বছরের পরমানন্দর। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিলেন জেমারাম (৩০) এবং চন্দরাম (৩০)। প্রায় ঘণ্টার বেশি সময় তাঁদের পড়ে থাকতে দেখেও কেউ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়নি। গুরুতর আহত চন্দরাম সাহায্যের জন্য আকুতি মিনতি করতে থাকেন। কিন্তু পথচারীদের কান পর্যন্ত সেসব আর্তি পৌঁছায়নি। বরং তারা তখন ব্যস্ত আহতদের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে। ঘটনার ভিডিও করতে। পুলিশ যতক্ষণে এসে পৌঁছায়, ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় বাকি দু’জনের।

পুলিশ জানাচ্ছে, গুজরাটের একটি সিমেন্ট কারখানায় কাজ করতেন ওই তিনজন। কাজের সূত্রেই এসেছিলেন রাজস্থান। দু’দিন পরই গুজরাটে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর পরই তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হয়তো বাঁচানো সম্ভব হত। শোকের ছায়া তিন পরিবারেই। জেমারাম স্ত্রী ও দুই বছরের সন্তানকে ফেলে গেলেন। চন্দরামের পরিবারে রয়েছেন তাঁর বাবা-মা। পরমানন্দ অবিবাহিত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[বাদল অধিবেশনকে শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর কেন্দ্র, এবার ময়দানে নামলেন খোদ স্পিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.