Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
zameen samadhi satyagraha

জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদ, বুক পর্যন্ত সমাধিস্থ রাজস্থানের কৃষকরা

লজ্জার ছবি কংগ্রেসশাসিত রাজস্থানে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২০, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২০, ১৮:১৫

options
link
জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদ, বুক পর্যন্ত সমাধিস্থ রাজস্থানের কৃষকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাষের জমি নিয়ে আবাসন প্রকল্প তৈরি করবে জয়পুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(JDA)। বিষয়টি জানতে পারার পরে অনেক বিরোধিতা করা সত্ত্বেও নিজেদের জমি বাঁচাতে সক্ষম হননি কৃষকরা। তাই বাধ্য হয়ে মাটি খুঁড়ে বুক পর্যন্ত সমাধিস্থ হয়ে ‘জমিন সমাধি সত্যাগ্রহ’ করে অভিনব উপায়ে প্রতিবাদ জানাতে আরম্ভ করলেন ২১ জন কৃষক। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুর শহর সংলগ্ন নিন্দার গ্রামে। সোমবার এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরেই বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশজুড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে এই আবাসন প্রকল্পের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছিল। আর প্রথম থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করছিলেন বেশিরভাগ কৃষক। কিন্তু, কোন লাভ হয়নি। ২০১৭ সালে ফের ১৩০০ বিঘা জমি জোর করে অধিগ্রহণ করতে যায় জয়পুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। তখনও এই ধরনের আন্দোলন করেছিলেন কৃষকরা। পরে সরকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে সমস্যা মেটানি। ফলে গত বছরের জানুয়ারি মাসে ‘জমিন সমাধি সত্যাগ্রহ’ করেন আন্দোলনরত কৃষকরা। সেসময় রাজ্য সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয় ৫০ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। এর ফলে চারদিনের মাথায় আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু, সমস্যা না মেটায় রবিবার থেকে ফের আন্দোলন শুরু হয়।

[আরও পড়ুন: নির্ভয়া কাণ্ড: আইনি জটিলতায় অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল ফাঁসি ]

 

এপ্রসঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা এক আন্দোলনকারী জানান, রবিবার পাঁচজন মহিলা-সহ ২১ জন কৃষক সমাধিস্থ হয়েছিলেন। সোমবার সেই সংখ্যাটা আরও বেড়েছে। আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। এই দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপির সঙ্গেই থাকছি’, বিরোধী শিবিরে যোগ দেওয়ার জল্পনা ওড়ালেন নীতীশ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.