BREAKING NEWS

১৪ কার্তিক  ১৪২৭  শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

কৃষি বিল বিতর্কে নয়া মোড়, মিলছে না সরকারের বয়ান ও রাজ্যসভার ভিডিও ফুটেজ

Published by: Biswadip Dey |    Posted: September 27, 2020 6:42 pm|    Updated: October 1, 2020 2:23 pm

An Images

ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষি বিল নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। কেন্দ্রীয় সরকারের বয়ান ও রাজ্যসভা (Rajya Sabha) অধিবেশনের ভিডিও ফুটেজের মধ্যে থাকা অসঙ্গতিকে ঘিরে নতুন করে মাথাচাড়া দিল কৃষি বিল বিতর্ক। এর মাঝেই রবিবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সই করলেন তিনটি কৃষি বিলে (Farm Bill 2020)। ফলে বিলগুলি আইনে পরিণত হল।

সরকারের অভিযোগ ছিল, গত রবিবার রাজ্যসভায় বিল পেশের সময় নিজের আসনে ছিলেন না বিরোধীরা। নিয়ম ভেঙেছেন তাঁরা। বিরোধীদেরও পালটা অভিযোগ ছিল, ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং সেদিন নিরপেক্ষ ছিলেন না। বারবার ভোটাভুটির দাবি তুলেছিল বিরোধী দলগুলি। এমনকী, এনডিএ জোটের অন্যতম শরিক অকালি দলও তেমন দাবি তোলা সত্ত্বেও ধ্বনিভোট করার কথা বলেন ডেপুটি চেয়ারম্যান। বিরোধীদের দাবি ছিল, ভোট হলে সরকার জিতত না। আর এটা বুঝেই ভোটাভুটিতে রাজি হননি ডেপুটি চেয়ারম্যান। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, ভোটের আবেদন করার সময় সমস্ত সদস্যই নিজেদের আসনে বসেছিলেন। যা সরকারের দাবির সঙ্গে মিলছে না।

[আরও পড়ুন ; চিনা প্রভাব খর্ব করতে তৎপর নয়াদিল্লি, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মোদির]

গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়েছিল বেলা একটা নাগাদ। ওই সময় বিরোধীরা দাবি তোলেন যে, কক্ষের ঐক্যমত্যের বিষয়ে গুরুত্ব না দিয়ে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর অনুরোধে অধিবেশনের সময়সীমা বাড়িয়ে দেন ডেপুটি চেয়ারম্যান।এরপর ১টা ৩ মিনিট নাগাদ বিরোধী নেতা গুলাম নবি আজাদ জানান, বিরোধীরা চান না সময়সীমাবাড়ানো হোক। বরং আগামীকালও মন্ত্রীরা বিল নিয়ে বক্তব্য রাখতে পারবেন। পরে ১টা ১১ নাগাদ বিরোধী সাংসদ রাগেশ তাঁর আসনে বসেই বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর ব্যাপারে ভোটাভুটির প্রস্তাব দেন। দেখা গিয়েছে, এই সমস্ত ক্ষেত্রেই বিরোধী সাংসদরা নিজেদের আসনেই ছিলেন।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে রাগেশ বলেন, ‘‘সরকার যে বলছে সাংসদরা নিজেদের আসনে ছিলেন না, এটা সর্বৈব মিথ্যা।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কক্ষের নিয়ম মানা হয়নি। যখন সদস্যরা তাঁদের আসনে বসেই ভোটাভুটির দাবি তুলেছিলেন, তখন সেটাই করা উচিত ছিল। কিন্তু ডেপুটি চেয়ারম্যান আমার দাবি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, আমি আমার আসনে নেই। রাজ্যসভার ফুটেজই সত্যিটা দেখিয়ে দেবে। আমার সাংবিধানিক ও কক্ষের অধিকার দু’টিই লঙ্ঘিত হল। আসলে সরকারের কাছে সংখ্যা ছিল না। এটাই সত্যি।’’

[আরও পড়ুন ; জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবডি, দাবি সংস্থার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement