Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Ram mandir theft

চুরি বন্ধ হতেই হু হু করে বাড়ছে রাম মন্দিরের আয়, দৈনিক কত অনুদান জমা পড়ছে দানবাক্সে?

চুরি যাওয়া টাকাপয়সার সামান্য কিছু অংশ উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। এই অবস্থায় তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে তা সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১০:৪৬

options
link
চুরি বন্ধ হতেই হু হু করে বাড়ছে রাম মন্দিরের আয়, দৈনিক কত অনুদান জমা পড়ছে দানবাক্সে? zoom
রামমন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ।
Advertisement

জারিজুরি ফাঁস হয়েছে। রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত যে চুরিটা হত, সেটা আপাতত বন্ধ। যার সুফল পাচ্ছে মন্দির। হু হু করে বাড়ছে মন্দিরের সম্পত্তি। সূত্র বলছে, আগে যেখানে দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা রাম মন্দিরের সরকারি রেজিস্টার্ড অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত, এখন সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ। অর্থাৎ চুরি বন্ধ হওয়ার পর থেকে স্রেফ নগদেই ৮ লক্ষ টাকা করে দৈনিক রোজগার বেড়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের।

সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। এই অবস্থায় তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে তা সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে। যাতে সেগুলিকে চেনা না যায় এবং সহজে লুকিয়ে ফেলা যায়।

সূত্রের খবর, বড় কোনও তিথি বা বিশেষ দিন হলে মন্দিরে নগদ অনুদানের অঙ্কটা অনেকটা বেড়ে যায়। সেটা না হলে দৈনিক এতদিন ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা অনুদান জমা পড়ত। অন্তত ব্যাঙ্কে ওই টাকাই জমা করত মন্দির কর্তৃপক্ষ। মন্দিরের যে অনুদান কাউন্টারগুলি রয়েছে সেখানে দৈনিক ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা জমা পড়ত অনুদান। কিন্তু চুরির খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ওই অঙ্কটা বেড়েছে। এতেই বোঝা যায়, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে স্রেফ নগদে চুরি হত। সোনাদানা এবং অন্যান্য অলঙ্কার তো রয়েইছে।

Advertisement

এদিকে সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই। এই অবস্থায় তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে তা সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে। যাতে সেগুলিকে চেনা না যায় এবং সহজে লুকিয়ে ফেলা যায়। বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটের তদন্তে সামনে আসছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। চুরির তদন্তে নেমে রাম মন্দির পরিদর্শন করেছিলেন সিটের কর্তারা। সেখানে মন্দিরের ইনচার্জ কেডি বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মন্দিরের গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের খুঁটিনাটি তথ্য নেওয়া হয়। তদন্তকারীরা দানে পাওয়া গয়না ও অন্যান্য নথিপত্রের পাশাপাশি সরকারি মালিকানাধীন প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (মিন্ট)-এর সঙ্গে লেনদেনের তথ্য চেয়েছেন। ব্যাঙ্ক ও মিন্টে পাঠানো সমস্ত মূল্যবান ধাতুর বিস্তারিত হিসেব দিতে বলা হয়েছে।

অনুমান করা হচ্ছে, দানে পাওয়া এই সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠানো হয়নি। কিছু অংশ যে টাকার সঙ্গেই চুরি গিয়েছে তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। তবে সেই চুরি যাওয়া সোনা বা ধাতু এখনও উদ্ধার হয়নি। এই অবস্থায় তদন্তকারীরা অনুমান করছেন এই সব সোনা গলিয়ে বিস্কুটে পরিণত করা হয়। যাতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আপাতত সেই সোনার সন্ধান করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে তদন্তে আরও জানা যাচ্ছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে যে আয় হত তা তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই আলোচনায় সোনা, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও মজুত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হত না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.