Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Indore

ভবন নেই, নেই শয্যাও, অথচ কর্মী সংখ্যা ৮৭! কাগজ-কলমে দিব্যি চলছে ইন্দোরের হাসপাতাল

গোটা ঘটনায় বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। প্রাক্তন মন্ত্রী সজ্জন সিং ভার্মা এই ঘটনাকে 'বিরাট কেলেঙ্কারি' বলে দাবি করেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন, শুধুমাত্র কাগজে-কলমে থাকা একটি হাসপাতালে কীভাবে নিয়োগ ও বদলি করা হতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২০:৫৫

options
link
ভবন নেই, নেই শয্যাও, অথচ কর্মী সংখ্যা ৮৭! কাগজ-কলমে দিব্যি চলছে ইন্দোরের হাসপাতাল zoom
কাগজ-কলমে দিব্যি চলছে ইন্দোরের হাসপাতাল। ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

কোনও ভবন নেই, নেই শয্যাও। অথচ কর্মীর সংখ্যা ৮৭ জন। সরকারি কোষাগার থেকে প্রতিমাসে বেতনও দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। নিয়ম মেনে হচ্ছে বদলিও। বাস্তবে অস্তিত্বহীন হলেও কাগজ-কলমে বহাল তবিয়তে চালু রয়েছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ১০০ শয্যার এক সরকারি হাসপাতাল। এই ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ২০২০ সালের ২৩ জুন ইন্দোরের খাজরানা এলাকায় ১০০ শয্যার এই হাসপাতালের অনুমোদন দেয় রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, মেডিক্যাল অফিসার, নার্স, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান এবং ফার্মাসিস্ট-সহ ৮৭টি পদ মঞ্জুর করা হয়। তবে অনুমোদনের ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালের ভবন তৈরি হয়নি। বরাদ্দ হয়নি জমি। অথচ প্রস্তাবিত হাসপাতালে কর্মী নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুন এই কাল্পনিক হাসপাতালে একজন ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানকে নিযুক্ত করা হয়। এরপরই সামনে আসে গোটা বিষয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সরব হয় বিরোধী দল কংগ্রেস। বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে হাত শিবির।

Advertisement

২০২০ সালের ২৩ জুন ইন্দোরের খাজরানা এলাকায় ১০০ শয্যার এই হাসপাতালের অনুমোদন দেয় রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, মেডিক্যাল অফিসার, নার্স, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান এবং ফার্মাসিস্ট-সহ ৮৭টি পদ মঞ্জুর করা হয়।

যদিও এই ঘটনাকে দুর্নীতি হিসেবে মানতে নারাজ মধ্যপ্রদেশের সিএমএইচও ডঃ মাধব হাসানী। তিনি বলেন, ‘শহরাঞ্চলে উপযুক্ত সরকারি জমি না পাওয়ায় প্রকল্পটি বিলম্বিত হয়েছে। যতদিন না হাসপাতালটি চালু হচ্ছে ততদিন ওই হাসপাতালে অনুমোদিত নার্সিং ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের ইন্দোর জুড়ে সঞ্জীবনী ক্লিনিক এবং অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিযুক্ত করা হয়েছে।’ রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র শুক্লাও বলেন, ‘আগে ওই স্থানে একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল। যেটাকে পরে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। তবে জমি না পাওয়ার জেরে প্রকল্পটি আটকে রয়েছে। যে সকল কর্মীকে ওই হাসপাতালে নিযুক্ত করা হয়েছিল তাঁদের অন্যান্য সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি উপযুক্ত জমির খোঁজ চলছে।’

এদিকে গোটা ঘটনায় বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল কংগ্রেস। প্রাক্তন মন্ত্রী সজ্জন সিং ভার্মা এই ঘটনাকে ‘বিরাট কেলেঙ্কারি’ বলে দাবি করেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন, শুধুমাত্র কাগজে-কলমে থাকা একটি হাসপাতালে কীভাবে নিয়োগ ও বদলি করা হতে পারে। এই ঘটনায় উচ্চ-পর্যায়ের তদন্তের দাবি তুলেছেন তিনি। আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে এই বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.