Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

কেন্দ্র-আরবিআই দ্বন্দ্বে ‘ইতি’ পড়লেও নিম্নমুখী শেয়ার বাজার

এশীয় বাজারও এদিন ছিল নিম্নমুখী৷ 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৩:১৯

options
link
কেন্দ্র-আরবিআই দ্বন্দ্বে ‘ইতি’ পড়লেও নিম্নমুখী শেয়ার বাজার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্র-আরবিআই দ্বন্দ্বে রফাসূত্র মিললেও নিম্নগামী শেয়ার সূচক৷ মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই ধাক্কা খেল শেয়ার বাজার। এদিন বাজার খোলার সময় সেনসেক্স ছিল ৩৫, ৭৩০.৭৭। আর নিফটি ছিল ১০,৭৪০.১০। কিন্তু সকাল ১০টা ৩৪ মিনিটে সেনসেক্স প্রায় ১২২ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ৩৫,৬৫২.০৫। নিফটি নেমে দাঁড়ায় ১০,৭১৭.৯০ পয়েন্টে৷        

[ফাঁস গোপন নথি, সুপ্রিম রোষে পিছোল সিবিআই মামলা]

Advertisement

শুধুমাত্র ভারতীয় বাজার নয়, এশীয় বাজারও এদিন ছিল নিম্নমুখী৷ যার প্রভাব দেখা গিয়েছে ওয়াল স্ট্রিটেও৷ এর জেরে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি৷ পাশাপাশি ১ মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১.৩৬ টাকা, যা চলতি মাসে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ৷ উল্লেখ্য, সোমবার বৈঠকের পর হাতে থাকা উদ্বৃত্ত অর্থ বাজারে ছাড়তে রাজি হয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক। এই ব্যাপারে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রের সঙ্গে যে ‘বিরোধের গুঞ্জন’ রটেছিল, সোমবার আরবিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড মিটিংয়ে তাতে ইতি টানা হয়েছে। দীর্ঘ ন’ঘণ্টার বৈঠকের পর হাতে থাকা ৮ হাজার কোটি টাকা উদ্বৃত্ত অর্থ বাজারে ছাড়তে চলেছে শীর্ষ ব্যাংক। একই সঙ্গে ছোট ব্যবসায় ২৫ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পুনর্গঠনেও সম্মত হয়েছে গভর্নর উর্জিত প্যাটেলের টিম।

কেন্দ্রের সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাংকের মূলত যে তিনটি বিষয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম হল তাদের হাতে থাকা সঞ্চিত অর্থ। রিজার্ভ ব্যাংকের হাতে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা অতিরিক্ত রয়েছে। সরকারের দাবি ছিল, ওই অর্থ ভোটের আগে উন্নয়নের কাজে লাগানো যেতে পারে। তাছাড়া ব্যাংকগুলির বিপুল এনপিএ এবং মূলধনের অভাব নিয়ে শীর্ষ ব্যাংকের বিধিনিষেধ নিয়েও কেন্দ্র উদ্বেগ প্রকাশ করে। আরবিআই ১১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে ঋণ দেওয়ার পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ আনতে এবং নিজেদের মূলধন বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছিল। এনবিএফসি কিংবা এমএসএমই-র ক্ষেত্রে ঋণের প্রশ্নে ব্যাংক বলেছিল, বাজারে যথেষ্ট অর্থের জোগান রয়েছে। অথচ, সরকার চাইছিল ব্যাংকগুলি এই ক্ষেত্রগুলিতেই, বিশেষ করে এমএসএমই-তে আরও বেশি করে ঋণ দিক। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কেরও সূত্রপাত হয়।

[বিস্ফোরক নষ্ট করতে গিয়েই সেনার অস্ত্র ভাণ্ডারে বিস্ফোরণ, নিহত ৬]     

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.