Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
RBI

‘নোটবন্দি নয়, নগদ ব্যবস্থাপনা’, ২০০০-এর নোট বাতিল নিয়ে আদালতে সাফাই আরবিআইয়ের

বাজার থেকে পুরনো নোট তুলে নিতেই উদ্যোগ, জানাল RBI।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৩, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৩, ১৪:০৯

options
link
‘নোটবন্দি নয়, নগদ ব্যবস্থাপনা’, ২০০০-এর নোট বাতিল নিয়ে আদালতে সাফাই আরবিআইয়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত সপ্তাহেই হঠাৎ দু’হাজার টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়া ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে নোটবন্দির। ২০১৬ সালে রাতারাতি বাজার থেকে পাঁচশো এবং এক হাজার টাকার নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট প্রবর্তনের আতঙ্কের দিনগুলির জন‌্য শঙ্কার প্রহর গুনছেন সাধারণ মানুষ। যদিও এবার সময় রয়েছে তুলনায় বেশ অনেকটাই বেশি। তবুও মানুষের আতঙ্ক কমেনি। তবে রিজার্ভ ব‌্যাংকের তরফে ফের সাফাই দেওয়া হল, এই পদ্ধতি কোনওভাবেই নোটবন্দি নয়।

২০১৬ সালের শেষে বাজারে আসা দু’হাজার টাকার গোলাপি নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়া আসলে নগদ লেনদেনের ব‌্যবস্থাপনারই অঙ্গ। শুক্রবার দিল্লি হাই কোর্টে এমনই দাবি করা হল রিজার্ভ ব‌্যাংকের তরফে। বাজার থেকে নোট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় দিল্লি হাই কোর্টে (Delhi High Court)। যেখানে আইনজীবী রজনীশ ভাস্কর গুপ্ত কোর্টের কাছে দাবি করেন, এককভাবে নোট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন‌্য রিজার্ভ ব‌্যাংকের কাছে উপযুক্ত এক্তিয়ার নেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চরম নাটক! কলার ধরে ‘ধর্ষক’কে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বিয়ে তরুণীর]

রিজার্ভ ব‌্যাংকের তরফে প্রবীণ আইনজীবী পরাগ ত্রিপাঠী সওয়াল করে বলেন, কেন্দ্রীয় ব‌্যাংকের এই সিদ্ধান্ত আসলে নোটবন্দি নয় কোনওভাবেই। প্রকৃতপক্ষে নোট ব‌্যবহারের যে ব‌্যবস্থাপনা চালু রয়েছে গোটা দেশে, তারই পরিচালনার অঙ্গ হিসাবে এই নোটগুলি বাজার থেকে তুলে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি হিসাবে আইনজীবী ত্রিপাঠী জানান, রাতারাতি সব নোট বাতিল হচ্ছে না। আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমস্ত ক্ষেত্রেই দু’হাজার টাকার নোট ব‌্যবহার করা যাবে। জমা করা যাবে ব‌্যাংকেও। শুধুমাত্র ব‌্যাংক আর সেই নোট ফিরিয়ে দেবে না বাজারে। বাজার থেকে পুরনো নোট তুলে নিতেই এই উদ্যোগ। কারণ যে কাগজে দু’হাজার টাকার গোলাপি নোট ছাপা হয়েছিল, সেগুলির মেয়াদ গড়ে পাঁচ বছরের। কাগজের আয়ুকাল শেষ হলে সব নোটই একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

অর্থনীতির উপরেও এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আদালতকে জানিয়েছেন আরবিআইয়ের আইনজীবী। যদিও দায়ের হওয়া মামলায় ভাস্কর গুপ্ত অভিযোগ জানিয়েছেন, রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের সার্কুলারে এটা স্পষ্ট নয়, কেন হঠাৎ এই নোট তুলে নেওয়া এবং এর প্রয়োগ কীভাবে হবে। বাজারে ব‌্যবসায়ীরা ইতিমধে‌্যই নোট তুলে নেওয়ার খবরে আতঙ্কিত হয়ে দু’হাজারের নোট নিতে চাইছেন না যার জেরে মানুষ বিপদে পড়ছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.