৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘প্রভাব পড়বে ভারতীয় অর্থনীতিতে’, করোনায় উদ্বিগ্ন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: March 17, 2020 9:20 am|    Updated: March 17, 2020 9:20 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি। এই মহামারীর প্রভাব থেকে ইতিমধ্যেই ধুঁকতে থাকা ভারতীয় অর্থনীতিও সম্পূর্ণ রক্ষা পাবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সরকার পদক্ষেপ করছে বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। শক্তিকান্ত দাসের দাবি, ভারতীয় অর্থনীতিকে বাঁচাতে গঠনমূলক ও কার্যকর নীতি তৈরিই আছে। প্রয়োজন হলেই তা চালু করা হবে। আরবিআই গভর্নর সোমবার বলেন,
“ভারতের অর্থনীতির উপরেও করোনার প্রভাব পড়তে পারে। তবে তা খুবই কম। আন্তর্জাতিক স্তরে যেহেতু ব্যবসা হয় তাই ব্যবসার মাধ্যমে তা প্রভাব ফেলতে পারে দেশের অর্থনীতিতে।”

[আরও পড়ুন: নিজের ঘোষণা অমান্য করে বিয়েবাড়িতে ইয়েদুরাপ্পা, গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে]

সোমবার শক্তিকান্ত দাস আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাব আন্তর্জাতিক অর্থনীতির বৃদ্ধি কমিয়ে দিতে পারে। তার প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও পড়বে। হোটেল, পর্যটন, বিমান পরিবহণে প্রভাব পড়েছে। ফোরেক্স ও বন্ড মার্কেটেও এর প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করেছিলেন করোনার এই প্রভাবে রেপো রেট অর্থাৎ সুদের হার কমানো বা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেননি আরবিআই গভর্নর। পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে শীর্ষ ব্যাংক। এ নিয়ে সিদ্ধান্ত পরে ঘোষণা করা হবে। তবে বিষয়টি তিনি উড়িয়েও দেননি।

ভারতে এখনও পর্যন্ত ১১৪ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই আতঙ্কে ধস নেমেছে শেয়ার বাজারে। যার প্রেক্ষাপটে এ দিন সমীক্ষা বৈঠকে বসেছিল রিজার্ভ ব্যাংক। এর পরে সাংবাদিক বৈঠকে মুখোমুখি হয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। তিনি জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে বিশ্ব বাজারে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি নিতে নারাজ। তাই এই অচলাবস্থা। ভারতের পরিস্থিতি তার তুলনায় ভাল। তবে চিনের অর্থনৈতিক দোলাচলের প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতিতে সর্বাধিক পড়ার আশঙ্কা। তবে বাজারে নগদের জোগান অব্যাহত রাখতে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে আরবিআই। চাহিদা তৈরি করতে ২৩ মার্চ প্রায় ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হবে ব্যাংকগুলিতে। পাশাপাশি রেপো অপারেশন থেকে ১ লক্ষ কোটি জোগান দেওয়া হবে। প্রয়োজন মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে চলতি বছরে ইউরোপের আর্থিক বৃদ্ধির হার শূন্যেরও নিচে নেমে আসতে পারে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বিশ্ব অর্থনীতিও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হলেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, তুঙ্গে বিতর্ক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement