সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বহু চেষ্টা করেও সুখটানের আকর্ষণ এড়াতে পারেন না অনেকেই। তবে ধুমপান যে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর, সেকথা জানেন সকলেই। সিগারেটে প্যাকেটেই সেই সতর্কবাণী দেওয়া থাকে। কিন্তু, ভারতে প্রকাশ্যে সিগারেটের বিজ্ঞাপন করা বা সাধারণ মানুষ ধূমপানে উৎসাহিত হতে পারেন, এমন কোনও বার্তা দেওয়াও যে আইনত নিষিদ্ধ, তা নিয়ে প্রচার খুব একটা চোখে পড়ে না। গত তিন বছর ধরে সেই কাজটা করে চলেছেন দিল্লি সরকারের চিফ টোবাকো কন্ট্রোল অফিসার এস কে আরোরা।
[দেশের ১৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত রামনাথ কোবিন্দ]
সরকারি পরিসংখ্যা বলছে, এদেশের এখন ধু্মপানে আসক্ত প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ। আর সিগারেটের এই বিপুল বাজার ধরতে সিগারেট প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলে। দেশের যুবসমাজের কাছ নিজেদের ব্র্যান্ডের সিগারেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে নানা কৌশল নেয় সিগারেট প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। শুধু দিল্লিই নয়, দেশের সবকটি মেট্রো শহরের রাস্তার মোড়ে কিয়স্কগুলিতে বিভিন্ন নামী কোম্পানির বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। বাদ যায় না সিগারেটের দোকানগুলিও। এমনকী, শহরের বিভিন্ন নাইটক্লাব ও পানশালাগুলিতে প্রচারের জন্য যুবক-যুবতীদের বিনামূল্য সিগারেট বিলিও করা হয়। কিন্তু, ভারতে তামাক বিরোধী আইন যথেষ্ট কড়া। আইনে স্পষ্ট বলা আছে, কোনও প্রকাশ্য স্থানে সিগারেটের কোনও বিজ্ঞাপন করা যাবে না।
[নতুন ২০ টাকার নোট সম্পর্কে এই ৭টি চাঞ্চল্যকর তথ্য জানেন কি?]
দিল্লিতে সিগারেটে কোম্পানিগুলির এই বেআইনি বিজ্ঞাপন রুখতেই এখন উঠেপড়ে লেগেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের চিফ টোবাকো কন্ট্রোল অফিসার এস কে আরোরা। তার ফলও মিলেছে। গত তিন বছরে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তার মোড়ের কিয়স্কগুলিতে সিগারেটে বিজ্ঞাপনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জানা গিয়েছে, প্রথমে রীতিমতো দলবল নিয়ে নিজেই রাস্তা নেমে পড়তেন দিল্লির সরকারের এই পদস্থ আধিকারিক। বিভিন্ন জায়গায় সিগারেটের বিজ্ঞাপনের হোডিং, ব্যানার খুলে দিতেন। সংশ্লিষ্ট কিয়স্ক মালিক কিংবা দোকান মালিকদের জরিমানাও করা হত। কিন্তু, সাময়িকভাবে কাজ হলেও, পরে ফের নতুন করে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দিয়ে হোর্ডিং লাগানো হত।
[দারিদ্রকে হেলায় হারিয়ে আইআইটি দিল্লিতে অটোচালকের মেয়ে]
গত বছর এপ্রিলে প্রথম সারির সিগারেট কোম্পানিগুলি আইনি নোটিস পাঠান দিল্লি সরকারের চিফ টোবাকো কন্ট্রোল অফিসার এস কে আরোরা। চিঠিতে বলা হয়, একমাসের মধ্যে সমস্ত হোর্ডিং, ব্যানার খুলে ফেলা না হলে, সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। সরকারের এই কড়া অবস্থানে পিছু হটতে বাধ্য হয় সিগারেট প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। এখন রাজধানীতে রাস্তার মোড়ের কিয়স্কে বা দোকানগুলিকে আর সেভাবে সিগারেটের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে না।
সর্বশেষ খবর
-
একুশ নিয়ে তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কালীঘাট মুছল অভিষেককে! ঋতদের পোস্টারে প্রাধান্য মণীষীদের
-
ক্লাসরুমের মধ্যেই ঠোঁটঠাসা চুমু, জড়িয়ে ধরে উদ্দাম প্রেম শিক্ষক-শিক্ষিকার! ভিডিও ভাইরাল
-
ঝগড়া হতেই ছুরি বের করে প্রেমিকার গলায় কোপ! হাওড়ায় হাসাপাতালেই তরুণীর মৃত্যু
-
দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত! দিলজিৎদের ‘রুখতে’ এবার ওটিটিতেও সেন্সরের পথে কেন্দ্র
-
পুজো মণ্ডপে প্রথমবার পি সি সরকারের ম্যাজিক দেখবে কলকাতা! তুঙ্গে প্রস্তুতি