Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

শিশুদের ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির জন্য দায়ী পর্ন, দাবি মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সমস্ত পর্নসাইট নিষিদ্ধ করার আবেদন ভূপেন্দ্র সিংয়ের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৮, ১৭:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৮, ১৭:২৭

options
link
শিশুদের ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির জন্য দায়ী পর্ন, দাবি মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে ধর্ষণের সংখ্যা বাড়ছে। রেহাই পাচ্ছে না শিশুকন্যারাও। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্লীলতাহানির ঘটনাও। মহিলাদের রাস্তায় হাঁটাচলাই দুষ্কর হয়ে উঠেছে। বেড়ে চলা এই অপরাধের জন্য দায়ী পর্ন। এমনটাই দাবি মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিংয়ের। আর তাই সমস্ত পর্নসাইট নিষিদ্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

 

Advertisement

[‘সাহস থাকলে ১৫ মিনিট বিতর্কে অংশগ্রহণ করুন’, মোদিকে চ্যালেঞ্জ রাহুলের]

কিছুদিন আগেই মধ্যপ্রদেশে এক আবাসনের বেসমেন্ট থেকে সদ্যোজাতর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ওঠে, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই শিশুকে। পরে শারীরিক পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণও মেলে। এক বছরের কম বয়স শিশুটির। বাবা-মা বেলুন বিক্রেতা। জানা গিয়েছে, শিশুকে পাশে নিয়ে রাস্তায় শুয়ে ছিলেন তাঁরা। সেখান থেকেই শিশুটিকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত সুনীল ভিল নামের এক যুবক। সে আবার শিশুর বাবা-মায়ের পূর্ব পরিচিত। অভিযোগ, বেসমেন্টে নিয়ে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে উঁচু কোনও জায়গা থেকে ছুড়ে ফেলে খুন করে ওই যুবক। ঘটনার নৃশংসতায় উত্তেজনা ছড়ায় গোটা রাজ্যে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মঙ্গলবার রাজ্যে বেড়ে চলা ধর্ষণ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত পর্ন দেখার ফলেই যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

প্রসঙ্গত ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশে ২৫টি পর্নসাইট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ভূপেন্দ্রর মতে, সমস্ত পর্নসাইট বন্ধ করতে গেলে কেন্দ্রের সাহায্য প্রয়োজন। এর জন্য কেন্দ্রকে চিঠি লিখে তিনি পর্নসাইটগুলি নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক নাবালিকা ধর্ষণের চূড়ান্ত সাজা মৃত্যুদণ্ড করার জন্য মোদি সরকারের প্রশংসাও করেন ভূপেন্দ্র। কাঠুয়া, উন্নাওয়ের মতো ঘটনায় রীতিমতো সাঁড়াশি চাপে পড়েছিল কেন্দ্র। যত দিন যাচ্ছিল তত প্রশাসনের উপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতেই নয়া অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। ১২ বছরের কম বয়সি নাবালিকাকে ধর্ষণে মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তা পাশ হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও। অর্ডিন্যান্সে সই করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ভূপেন্দ্র বলেন, এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। তবে কেবল কড়া আইন নয়, দেশের মানুষের সামজিক সচেতনতা প্রয়োজন বলেও মনে করেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

[সিয়াচেনের সেনাদের জন্য এই দম্পতি যা করলেন জানলে আপনিও গর্বিত হবেন]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.