Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Red Fort Blast Case

লালকেল্লা নয়, বিস্ফোরণে মন্দির ওড়ানোর ছক ছিল বোমারু নবির, শেষ মুহূর্তে ষড়যন্ত্রে বদল কেন?

দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএর চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৪১

options
link
লালকেল্লা নয়, বিস্ফোরণে মন্দির ওড়ানোর ছক ছিল বোমারু নবির, শেষ মুহূর্তে ষড়যন্ত্রে বদল কেন? zoom
Advertisement

গত বছর ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও লালকেল্লায় বিস্ফোরণ (Red Fort Blast Case) ছিল ‘প্ল্যান বি’, মূল টার্গেট ছিল একটি মন্দির। বাধ্য হয়ে শেষ মহুর্তে পরিকল্পনা বদলে ছিল মূল অভিযুক্ত পেশায় চিকৎসক উমর উন নবি। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র চার্জশিটে এই বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে।

গত ১৪ মে দিল্লির আদালতে ৭,৫০০ পাতার চার্জশিট জমা দেয় এনআইএ। ২৯ আগস্ট সেই চার্জশিট নিয়ে আলোচনা হয় দিল্লির আদালতে। ষড়যন্ত্রের ছক, কীভাবে গাড়িবোমায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, গোটা বিষয়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এনআইএ-র দাবি, উমর উন নবি নিজের ভাড়াবাড়িতে বসেই প্রস্রাব প্রক্রিয়াজাত করে ইউরিয়া সংগ্রহ করে। তা দিয়েই বোমা বানানো হয়। তদন্ত নামার পর একটি পেন ড্রাইভ পান এনআইএ-র গোয়েন্দারা। ওই পেনড্রাইভে একটি পিডিএফ ফাইল পাওয়া যায়। সেখানেই ইউরিয়া নাইট্রেট দিয়ে বিস্ফোরক তৈরির পদ্ধতি এবং বিকল্প হিসেবে প্রস্রাব থেকে ইউরিয়া আলাদা করার উপায় বিস্তারিত লেখা ছিল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিস্ফোরণের আগে প্রায় ১১ দিন হরিয়ানার নুহ এলাকার একটি ভাড়া ঘরে লুকিয়ে ছিল নবী। সেখানকার প্রতিবেশীরা সাক্ষী দেন, নবীর ঘরে প্রস্রাব ভর্তি পলিথিন ব্যাগ ছিল। এর ফলে বিশ্রি গন্ধ বের হত। এই নিয়ে নবীর বন্ধু শোয়েবকে অভিযোগও জানানো হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ভাড়াবাড়িতেই বিস্ফোরক তৈরি করা হয়েছিল।

এছাড়াও তদন্তকারীদের চাঞ্চল্যকর দাবি, হামলাকারীর প্রাথমিক নিশানায় লালকেল্লা ছিলই না। আসল লক্ষ্য ছিল কাছেই অবস্থিত জৈন মন্দির ‘লাল মন্দির’। কিন্তু ওই রাস্তায় মাত্রাতিরিক্ত যানজট ছিল। এছাড়াও পুলিশের উপস্থিতি দেখে পরিকল্পনা বদলে লালকেল্লার দিকে চলে যায় নবি। কয়েক মিনিটের মধ্যে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৫০ মিনিটে ঘটে যায় সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। যার ফলে প্রাণ হারান ১১ জন। বহু মানুষ গুরুতর আহত হন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.