সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্তঃসত্ত্বার প্রসব যন্ত্রণা একমাত্র তিনি নিজেই বোঝেন। এই যন্ত্রণা কারও সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায় না। সেই মুহূর্তে চিকিৎসকের থেকে একটু মানবিকতা, সহানুভূতি প্রত্যাশা করা কি প্রসূতির পক্ষে খুব বাড়াবাড়ি হয়ে যায়? হয়তো হয়ে যায়। আর তাই তো তাঁকে চূড়ান্ত তাচ্ছিল্যের শিকার হতে হয়। অন্তঃসত্ত্বার প্রতি হাসপাতালের উদাসীন চেহারায় হতবাক সমাজ।
[‘রাম নামে অ্যালার্জি থাকলে ইন্দোনেশিয়ার থেকে শিক্ষা নিন’]
ঘটনা জয়পুরের জয়পুরিয়া সরকারি হাসপাতালের। শুক্রবার রাত দশটা নাগাদ অসহ্য প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ওই হাসপাতালে যান অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু চিকিৎসক সাফ জানিয়ে দেন, তাঁকে ভরতি করা যাবে না। অগত্যা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাত ১১ টায় রাস্তার মাঝেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কেন এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হল তাঁকে? হাসপাতালে কি বেড খালি ছিল না? না, তেমনটাও নয়। তাহলে? মহিলার পরিবারের তরফে অভিযোগ, চিকিৎসকরা অন্তঃসত্ত্বাকে দেখে জানান, এখনও প্রসবের সময় হয়নি। তাই ভরতি হওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই। পরের দিন তাঁকে হাসপাতালে আসতে বলা হয়। তাঁদের আরও অভিযোগ, প্রসবের পর শনিবারও তাঁকে ভরতি নেওয়া হয়নি।
[মৃত মেয়ের মুখের উপর চেপে বসেছিল ইন্দ্রাণী, বিস্ফোরক তথ্য চালকের]
গোটা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতালের সুপার। তাঁর উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটে। তিনি জানান, “মহিলা তীব্র প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। চিকিৎসকরা তাঁকে ভালভাবে না দেখেই বলে দেন, পরের দিন আসতে। একপ্রকার জোর করেই তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে রাস্তাতেই সন্তানের জন্ম দেন মহিলা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং মহিলার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়। এই ঘটনায় ফের একবার চিকিৎসকদের গাফিলতির ছবিটা স্পষ্ট হয়ে গেল। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে প্রসূতিকে ঠিকমতো না দেখেই তাঁকে ভরতি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা?
সর্বশেষ খবর
-
ফিরল মিনাবের স্মৃতি, ইরানে শিশু ক্যানসার হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা আমেরিকার! বিস্ফোরণ বন্দর শহরগুলিতে
-
৩৬১ বছরের ঐতিহ্য! জগন্নাথ নন, মাধবগঞ্জে পিতলের রথে আসীন রাধামদন গোপাল
-
হেরে আর্জেন্টিনা ফুটবলারকে ‘মার’ বেলিংহামের! দুই দেশের সমর্থকদের মারামারি স্টেডিয়ামে, রক্তাক্ত বহু
-
বন্দর গড়তে কত জায়গা প্রয়োজন? দাদনপাত্রবাড় পরিদর্শনে শীর্ষকর্তাদের দল
-
তৃণমূল আমলে বইমেলাতেও কোটি টাকার দুর্নীতি! বড় নির্দেশ শুভেন্দুর