Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

‘দক্ষিণ ভারতের চেয়ে পাকিস্তান বেশি মধুর’, ফের বিতর্কিত মন্তব্য সিধুর

'কংগ্রেস নেতাদের পাক-বন্দনা নতুন কিছু নয়৷'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ০৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ০৯:৩৪

options
link
‘দক্ষিণ ভারতের চেয়ে পাকিস্তান বেশি মধুর’, ফের বিতর্কিত মন্তব্য সিধুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়া ও পাক সেনাপ্রধানকে আলিঙ্গন করা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। এবার তাতেই নতুন মাত্রা যোগ করলেন পাঞ্জাবের কংগ্রেসি মন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধু। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিধু বলে বসলেন, দক্ষিণ ভারত যাওয়ার থেকে পাকিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে অনেক বেশি সুখকর। ভাষা-খাদ্যাভ্যাসের কারণেই পাকিস্তান যে তাঁর বেশি পছন্দের, সেটা জানাতে দ্বিধা করেননি তিনি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। সিধুর পাক-প্রীতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। গেরুয়া দলের বক্তব্য, কংগ্রেস নেতাদের পাক-বন্দনা নতুন কিছু নয়। 

[আলো আর সুরের মূর্ছনায় অন্য চেহারা নেবে রাজ্যের এই মন্দির]

Advertisement

এর আগে ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজিরা দিয়েছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোত সিং সিধু৷ পাক সেনাপ্রধান কামার বাজওয়ার সঙ্গে আলিঙ্গন করে উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছিলেন ওই কংগ্রেসী নেতা৷ তবে তাঁর এহেন কাজে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছিল বিরূপ প্রতিক্রিয়া৷ খোদ পাঞ্জাবেই তাঁর ছবিতে জুতো মেরে প্রতিবাদ দেখিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন কপিল দেব, সুনীল গাভাসকর ও নভজ্যোৎ সিং সিধু৷ সীমান্তে লাগাতার আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান৷ পাশাপাশি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে আইএসআই৷ সেই ‘ডার্ক স্টেট’ থেকে নির্বাচিত ইমরানের অনুষ্ঠানে যেতে সাফ মানা করে দিয়েছিলেন গাভাস্কার৷ পাক সেনার পুতুল ইমরানের অনুষ্ঠানে যাননি কপিলও৷ তবে সেখানে দেখা মেলে সিধুর৷ মুখে প্রসন্ন হাসি নিয়েই ভারত বিরোধীদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড়৷ এমনিতে ‘শায়েরি’ করে দেশভক্তির পাঠ দেন তিনি৷ তবে কথা আর কাজে সামঞ্জস্য না রেখেই পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গে আলিঙ্গন করতে দেখা যায় তাঁকে৷

এই ঘটনায় ইতিমধ্যে দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক৷ সিধুর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন নেটিজেনরা৷ অনেকেরই প্রশ্ন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খানের পাশে বসে কী বার্তা দিতে চেয়েছেন সিধু? পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গেই বা অত দহরম-মহরম কিসের? সব মিলিয়ে আপাতত ‘দেশদ্রোহী’র তকমা জুটেছে সিধুর কপালে৷ এহেন পরিস্থিতিতে ফের পাক-বন্দনা করে দেশবাসীর সমালোচনার মুখে পড়েছেন সিধু৷

[প্রেমিকাকে পুজোয় দামী শাড়ি উপহার স্বামীর, অভিমানে আত্মঘাতী স্ত্রী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.