জেন জি। প্রায় মাসখানেক ধরে ভারতের সবপ্রান্তেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এই তরুণ প্রজন্ম। কারোর মতে, এই প্রজন্ম আসলে আবর্জনার স্তূপ। জেন জির আদবকায়দা, কথাবার্তা সমস্তই খারাপ-এই ধারণা পোষণ করেন ভারতীয় জনতার একাংশ। আবার অন্যরা মনে করেন, এই জেন জি আসল নূতন যৌবনের দূত, একঝলক টাটকা বাতাসের মতো। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, আধুনিক নানা ধ্যানধারণায় খরচ করতে ভালোবাসে ভারতের জেন জি। তাহলে কি অপচয় করাটাই এই প্রজন্মের দস্তুর?
স্যালারি সে নামে এক সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে ভারতের জেন জির খরচের বহর নিয়ে। উপার্জনের কতটা অংশ কোন খাতে ব্যয় করেন ভারতীয় তরুণ সমাজ, সেই নিয়ে নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ৫ লক্ষেরও বেশি কর্মরত জেন জির ইউপিআই লেনদেনের নিরিখে তৈরি হয়েছে এই সমীক্ষার রিপোর্ট। এই জেন জি বা তরুণ প্রজন্মকে ‘বাজে খরচে’র অভিযোগে বিদ্ধ করেন বড়রা। কিন্তু এই রিপোর্ট সেই অভিযোগ একেবারে খারিজ করেছে। দেখা গিয়েছে, প্রত্যেক মাসে জেন জির খরচের সবচেয়ে বড় অংশটাই যায় বিল মেটাতে। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে শুরু করে হাজারো জিনিসের বিল বাবদ জেন জির ২০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়।
আরও পড়ুন:
জেন জির খরচের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশটা যায় গ্রোসারিতে। প্রতিদিনের চাল-ডাল-তেল-নুন কিনতে আয়ের অন্তত ১৬ শতাংশ ব্যয় করে ভারতের তরুণ প্রজন্ম। এছাড়াও জেন জির ব্যয়ের ১২ শতাংশ যায় বিনিয়োগ বা বিমা পরিষেবায়। শপিং বাবদ ১১.৯ শতাংশ ব্যয় করে ভারতের তরুণরা। বাইরে খাওয়াদাওয়ার জন্যও সাড়ে ১১ শতাংশ খরচ হয় তাদের। মূলত পাঁচটি খাতেই ৭০ শতাংশ ব্যয় করে ভারতের তরুণ প্রজন্ম। এই পাঁচ খাতের কোনওটাকেই ঠিক ‘বাজে খরচ’ বলে অভিহিত করা যায় না। স্রেফ শখের জন্য ব্যয় করে না ভারতীয় জেন জি, খরচ করে প্রয়োজনের তাগিদেই।
এই সমীক্ষাতেই উঠে এসেছে, মাসিক খরচের জন্য ডিজিটাল লেনদেনেই আস্থা রেখেছে ভারতের যুব সমাজ। প্রত্যেক মাসের বিল মেটানো, বিমার প্রিমিয়াম এমনকী ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সাবস্ক্রিপশনের জন্যও জেন জি ভরসা রাখছে অটো পে’তে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেন জি’কে ‘বাজে খরচে’র তকমা দেওয়া মোটেই উচিত নয়। চাকরিরত যুব সমাজ প্রয়োজনের বাইরে খরচ করে না মোটেই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের
-
বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড, আধার নম্বরেই মিলবে উপভোক্তার তথ্য
-
দেবরাজের ‘দাদাগিরি’র নয়া হদিশ! দাবিমতো কোটি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ মামলায় চার্জশিট
-
ধনঞ্জয় ফাঁসির ২২ বছর! ‘বিচার মেলেনি’, মামলার পুনঃতদন্তের দাবিতে ফের মিছিল বাঁকুড়ার গ্রামে