Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

৮০ কিমি পেরিয়ে হাসপাতাল, ধুঁকছে স্বাধীন ভারতের গ্রাম

নেই চিকিৎসক, নেই ওষুধ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৭, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৭, ১৫:৫৩

options
link
৮০ কিমি পেরিয়ে হাসপাতাল, ধুঁকছে স্বাধীন ভারতের গ্রাম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  মাস দুয়েক ধরেই টানা বৃষ্টি চলছে মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলে। ক্রমশ ছড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া, ডায়েরিয়া, ডেঙ্গু, জাপানি এনসেফালাইটিস। কিন্তু তার মোকাবিলায় কার্যত অসহায় মণিপুরের অন্তত চারটি গ্রাম। কমপক্ষে একত্রিশ হাজার মানুষের বাস এখানে। কিন্তু নেই কোনও হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডাক্তার অথবা নার্স। প্রায় বিনা চিকিৎসাতেই প্রাণ যায় রোগীর।

kpwvhvdnag-1501855031

Advertisement

[ঢেলে সাজানো হচ্ছে দেশের উপকূলরক্ষী বাহিনীকে, বরাদ্দ প্রায় ৩২ হাজার কোটি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

জুলাই মাসে এই এলাকার প্রায় ৩৫০ জন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের ভর্তি হতে হয় চূড়াচাঁদপুরের জেলা হাসপাতালে। শুনতে স্বাভাবিক লাগলেও, সেই জেলা হাসপাতালে আসতে তাদের পেরোতে হয়েছে ৮০ কিমি পথ। কখনও গাড়িতে, কখনও বা হেঁটে সেই পথ পেরিয়ে তাঁরা হাসপাতালে পৌঁছান। রোগীদের জন্যও যাওয়ার কোনও আলাদা ব্যবস্থা নেই, হাঁটতে হয় তাদেরও। হাসপাতালে পৌঁছলেও, সবসময় যে চিকিৎসা মিলবে, এরকম কোনও গ্যারান্টি নেই কিন্তু। এরপরেও জেলা প্রশাসনের সদর্প ঘোষণা, হেঙ্গলেপ গ্রামে বিনা চিকিৎসায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা নেই। হ্যাঁ। হেঙ্গলেপে একটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। ব্যাস, ওইটুকুই। একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ছিলেন। জুন মাসে তিনিও ইম্ফলে স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন। আর তার জায়গায় আসেননি অন্য কোনও চিকিৎসকই।

hatcrawbzr-1502805030

তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, মেডিক্যাল টিম জুলাই মাসে তিনবার হেঙ্গলেপ গ্রাম সহ-চারটি গ্রাম পরিদর্শনে যায়। বেহাল রাস্তার প্রতিকূলতা মাথায় নিয়েও সেখানে পৌঁছায় তাঁরা। তবে সেটা যে যথেষ্ট নয়, তা বোঝার দরকার প্রশাসনের, বলছেন স্থানীয়রা। হাসপাতালে আসতে গেলে বা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতে গেলে প্রথম ৪৭ কিমি, তারপর দু’নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে হাঁটার পালা। প্রায় ৩৫ কিমি হেঁটে তবে পৌঁছানো যায় গন্তব্যে।

[লজ্জা! স্বাধীনতা দিবসেই কালিমালিপ্ত নেতাজির মূর্তি]

এখানেই শেষ নয়, ১৫০টি আসন বিশিষ্ট হাসপাতালে মাত্র ২৯টি আসন রয়েছে হেঙ্গলেপ গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য। সেখানে সংকুলান না হলে, আবার হাঁটা শুরু। তখন ভরসা চূড়াচন্দনপুর যুব হাসপাতাল। আর তারপরে কী হবে, সেটাও পূর্বনির্ধারিত নয়, পুরোটাই ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেন বাসিন্দারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.