সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাতের পথে ভারত। কথা দিলেও, এখনও ভারতীয় ভূখণ্ড ছেড়ে যায়নি লালফৌজ। তাই আগ্রাসী পড়শিকে শিক্ষা দিতে এবার বাণিজ্যেক পথে প্রত্যাঘাত করল ভারত। দেশে চিনা সংস্থাগুলির বাণিজ্যের পথ কার্যত বন্ধ করে দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার।
[আরও পড়ুন: এবার ভুটানকে টোপ চিনের, ‘লাল’ ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিতে আসরে নামল ভারত]
সদ্য জারি হওয়া এক সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে যে দেশগুলি সীমান্ত ভাগ করছে এমন দেশগুলির বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা, সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ (পিপিপি), সরকারি ব্যাংক, স্বশাসিত সংস্থার প্রকল্পে শামিল হতে গেলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নথিবদ্ধ করে অনুমতি নিতে হবে। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে অনুমতি নেওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক থেকেও অনুমতি নিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে করোনা মোকাবিলায় ওষুধ ও পিপিই ইত্যাদি সামগ্রীর ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিদেশি সংস্থাগুলির (চিনা সংস্থা) নথিবদ্ধকরণের বিষয়টি দেখবে Department for Promotion of Industry and Internal Trade (DPIIT)। ভারতে বাণিজ্য করতে গেলে DPIIT’র কাছে আগাম অনুমতি নিতে হবে। তারপর সেই আবেদন যাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রকের কাছে। সেখান থেকে অনুমোদন মিললে তবেই ভারতে বিনিয়োগ করা যাবে।
সরকারের দাবি, দেশের নিরাপত্তার ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ। তবে যে দেশগুলিকে ভারত সাহায্য করে বা ‘লাইন অফ ক্রেডিট’ দেয়, সেগুলিকে এই তালিকা থেকে ছাড় দেওয়া হবে। সরকারি সূত্রের মতে, এর সুফল পাবে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও মায়ানমার। এই নির্দেশের নিশানা যে চিন ও পাকিস্তান, তাতে সন্দেহ নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, লাদাখে চিনা আগ্রাসনের জবাবেই এই পদক্ষেপ করেকহে কেন্দ্র। কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনা চললেও পূর্ব লাদাখ থেকে এখনও সম্পূর্ণভাবে ফৌজ সরেনি চিন। বিশেষ করে, পূর্ব লাদাখে ফরওয়ার্ড পোস্ট ও নিজের সীমার ভিতরে সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন রেখেছে চিন। ওই অঞ্চলে মুখে সেনা প্রত্যাহারের কথা বললেও বাস্তবে তেমনটা করছে না বেজিং। বিশেষ করে গোগরা ও হটস্প্রিং এলাকায় এখনও ভারতীয় জমিতে দখল বজায় রেখেছে লালফৌজ। তাছাড়া, প্যাংগংয়ে লেকের ধারে ফিঙ্গার ৫ থেকে কিছুতেই হটতে চাইছে না চিনা সেনা। চার থেকে আট নম্বর ফিঙ্গার পয়েন্ট পর্যন্ত ভারতীয় সেনার নো-এন্ট্রি করে রেখেছে পিএলএ। টহলদারি চালাতে পারছে না ভারতীয় সেনা। দেপসাং উপত্যকায় দুই দেশের সৈন্যরা এখনও পর্যন্ত খুব কাছাকাছি রয়েছে।
[আরও পড়ুন: আগামী G7 সম্মেলনে আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী মোদি, ঘোষণা মার্কিন বিদেশ সচিবের]
সর্বশেষ খবর
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের