সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি ভারতীয়? প্রমাণ আছে? প্রায় ৩০ বছর ধরে সেনাবাহিনীতে চাকরি করার পর এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে এমনটা হয়ত স্বপ্নেও ভাবেননি প্রাক্তন সেনা জওয়ান মহম্মদ আজমল হক। সম্প্রতি অসমের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল-এর তরফ থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয় আজমলকে। নোটিসে তাঁকে আগামী ১৩ অক্টোবর স্থানীয় ট্রাইবুনালের সামনে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। জানানো হয়েছে, তাঁর নাম সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় নাম রাখা হয়েছে। তাই হাজিরার দিন ভারতীয় হওয়ার প্রমাণ জমা দিতেও বলা হয়েছে।
[থমথমে পরিস্থিতি, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সরাসরি আমেরিকার বার্তালাপ]
জানা গিয়েছে, ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে জেসিও পদে থাকাকালীন অবসর নেন। দেশের সেবা করার পরও এরকম নোটিস পাওয়ায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছেন আজমল। প্রশ্ন তোলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কেন সরকার আমাদের হেনস্তা করছে?’ সঙ্গে আরও জানান যে, নোটিসে বলা হয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যুদ্ধের পর ভারতে এসেছিলেন আজমল। অথচ তাঁর বাবা মকবুল আলির নাম ১৯৬৬ সালেই ভোটার লিস্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৬১ এবং ১৯৬২ সালে গ্রামের সমীক্ষাতেও ছিল। আজমল আরও জানান, তাঁর মা রাহিমন নেসার নাম ১৯৫১ সালে ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস-এ নথিভুক্ত ছিলেন।
[পাক বিদেশমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হাফিজ সইদের]
যদিও ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরই আসামের ডিজিপি পুরো ব্যাপারটি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। জানিয়েছেন, কেন চিঠিটি পাঠানো হল খতিয়ে দেখবেন তিনি। এর আগেও আজমলের স্ত্রী মমতাজ বেগমের সঙ্গে এরকম ঘটনাই ঘটেছিল। ২০১২ সালে মমতাজের কাছ থেকে ভারতীয় হওয়ার প্রমাণ চেয়েছিল ট্রাইবুনাল। তখন হলফনামা জমা দিয়েছিলেন মমতাজ। আর সেখানে আজমল যে তাঁর স্বামী সেকথা উল্লেখও করেছিলেন। কিন্তু ফের একবার একই ঘটনা ঘটল।
[লক্ষ্মীপুজোর দিন তৃণমূলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করবেন মুকুল]
সর্বশেষ খবর
-
‘ধরনা তুলে নিন’, ‘ককরোচ’ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরই বার্তা কেন্দ্রের, অনশন ভাঙলেন সোনম!
-
ভঙ্গুর তৃণমূলকে টেক্কা দেওয়া চ্যালেঞ্জ? ‘রক্তে রাঙা একুশে’ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রচারে কংগ্রেস
-
পুরী যেতে পারেননি? এবার উলটো রথেই বাড়িতে বানান জগন্নাথদেবের পছন্দের এই ৫ ভোগ
-
‘আমার শরীরে…’, মেসিরা হারতেই রাতারাতি ‘মালামাল’ মিয়া খালিফা! কীভাবে ১৬ কোটি আয় করলেন?
-
রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়ে রাজনীতি নয়, শুনানিতে সতর্ক করলেন প্রধান বিচারপতি