Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
বিহার বনধ

CAA’র প্রতিবাদে আরজেডির ডাকে বিহার বন্‌ধ, বিঘ্নিত ট্রেন-বাস পরিষেবা

জাতীয় সড়ক আটকাতে নামানো হয় মোষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:৫২

options
link
CAA’র প্রতিবাদে আরজেডির ডাকে বিহার বন্‌ধ, বিঘ্নিত ট্রেন-বাস পরিষেবা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: CAA’র প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (RJD) ডাকে শনিবার বিহার বন্‌ধ। ধর্মঘট সফল করতে এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নেমেছেন আরজেডি সমর্থকরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এমনকী দ্বারভাঙা ও বৈশালিতে জাতীয় সড়ক আটকাতে মোষ নামিয়ে দেওয়া হয়। রেললাইন আটকে দেওয়ায় ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়।

শুক্রবারই CAA নিয়ে কেন্দ্র সরকার ও নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিহার বন্‌ধের ডাক দিয়েছিলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। সেই ধর্মঘট সফল করতেই এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নামেন সমর্থকরা। পাটনায় বন্ধ ছিল দোকান, স্কুল-কলেজ। রাস্তায় লোকজনও কম বেরতে দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করেন আরজেডি সমর্থকরা। শীতের সকালে আরজেডি সমর্থকরা দ্বারভাঙা এলাকায় খালি গায়ে প্রতিবাদ দেখান। নীতীশ কুমার ও কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন। বন্ধ করে দেন জাতীয় সড়ক। ট্রেন চলাচলও বিঘ্নিত হয়।এদিকে বৈশালিতে মোষ দিয়ে জাতীয় সড়ক আটকে দেওয়া হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভ: ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে মৃত বেড়ে ১৫]

শুক্রবার বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব টুইট করেন। টুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন তিনি, “CAA ও NRC’র প্রতিবাদে শনিবার বিহার বন্‌ধের ডাক দিয়েছে আরজেডি। এদিন সন্ধ্যায় শান্তিপূর্ণভাবে জেলায় জেলায় মশাল হাতে মিছিল করা হবে।” CAA-কে সমর্থন নিয়ে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তেজস্বী। তাঁর কথায়, “বিহারের মানুষের সমস্ত নথি বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে। কোথা থেকে তাঁরা নথি পাবেন।”

 

[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভে উত্তাল যোগীর রাজ্য, অশান্ত লখনউয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল]

যদিও শুক্রবারই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিহারে NRC হবে না। বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছিলেন, বিহারে সংখ্যা লঘুদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তারপরই শুক্রবারই নীতিশ কুমারের প্রতিক্রিয়া, “কিসের এনআরসি! বিহারে এনআরসি চালু হবে না।” প্রসঙ্গত, সংসদে CAA’র স্বপক্ষে ভোট দিয়েছিল জেডিইউর সাংসদেরা। কিন্তু এর মাঝেই বেঁকে বসেন দলের সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। গত শনিবার তিনি তাঁর ক্ষোভ জানাতে দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে। সেই সময় নীতীশকে তিনি জানিয়ে দেন, জেডিইউ-বিজেপি জোট সরকার যদি বিহারে এনআরসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয়, তা হলে তিনি দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তখনই নীতীশ আশ্বস্ত করেছিলেন প্রশান্ত কিশোরকে। জানিয়েছিলেন, বিহারে কোনও ভাবেই এনআরসি কার্যকর করা হবে না।এ র জেরে যে কেন্দ্র চাপে পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

 

 

       

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.