Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Delhi Blast

আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি NIA-র, শাহিনের ঘর থেকে বাজেয়াপ্ত ১৮ লক্ষ টাকা

এই টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাঠানো ২৬ লক্ষ টাকার অংশ কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ২০:৩৩

options
link
আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি NIA-র, শাহিনের ঘর থেকে বাজেয়াপ্ত ১৮ লক্ষ টাকা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র। এই তল্লাশি অভিযানেই ২২ নম্বর ঘর থেকে উদ্ধার হল ১৮ লক্ষ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘরেই থাকতেন ‘হোয়াইট কলার টেরর’ চক্রের অন্যতম পান্ডা চিকিৎসক শাহিন সইদ। মনে করা হচ্ছে, দেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতেই এই অর্থ মজুত করা হয়েছিল।

তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার শাহিনকে সঙ্গে নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এনআইএর আধিকারিকরা। সেখানে শাহিনের জন্য বরাদ্দ ঘর, তাঁর অফিস ও যে সব ঘরে তিনি ক্লাস নিতেন সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তখনই ২২ নম্বর ঘরে একটি ক্যাবিনেটের ভেতর প্লাস্টিকে মোড়া এই ১৮ লক্ষ টাকা তদন্তকারীদের নজরে পড়ে। শুধু তাই নয়, সূত্রের খবর একটি সোনার বিস্কুটও উদ্ধার হয়েছে ঘর থেকে। ঠিক কী কারণে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সোনা মজুত করা হয়েছিল তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারীদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন একাধিক সন্দেহভাজন চিকিৎসক। যাঁদের বেশিরভাগই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক। বিস্ফোরণে আত্মঘাতী জঙ্গি উমর উন-নবির ঘরও ছিল তদন্তকারীদের নজরে। ৪ ও ১৪ নম্বর ঘরে থাকত এই নবি। ১৩ নম্বর ঘরে থাকত আর এক অভিযুক্ত মুজাম্মিল গনাই। এই দুজনের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকটি ডায়েরি এবং নোটবুক উদ্ধার হয়। যেখানে বেশ কিছু সাঙ্কেতিক শব্দ, হামলার পরিকল্পনা-সহ নানা তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এই হামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের লক্ষ্যে ২৬ লক্ষ টাকা জোগাড় করেছিল সন্ত্রাসীরা। যে টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাঠিয়েছিল সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। উদ্ধার হওয়া ১৮ লক্ষ টাকা সেই ২৬ লক্ষ টাকার অংশ কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, তদন্তে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত শাহিন জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের মহিলা ব্রিগেড তৈরির দায়িত্বে ছিল। পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে অপারেশন সিঁদুরে জইশের কোমর ভেঙে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানে মৃত্যু হয় মাসুদ আজাহারের পরিবারের ১১ সদস্যের। এর ঠিক পরই ভারতের বিরুদ্ধে বদলা নিতে মাসুদ আজাহারের বোন সাদিয়ার নেতৃত্বে নয়া মহিলা ব্রিগেড তৈরির ঘোষণা করে জইশ। ভাওয়ালপুরের মার্কাজ-উসমান-ও-আলি থেকেই এই সংগঠন তৈরি করা শুরু করে জইশ। নতুন এই মহিলা ব্রিগেডের নাম জামাত-উল-মোমিনাত। সূত্রানুসারে, শাহিনকেই দেওয়া হয়েছিল সেই শাখার দায়িত্ব।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.