BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

‘ডন’ বিকাশকে ধরতে মরিয়া পুলিশ, মাথার দাম আড়াই লাখ টাকা ধার্য করল যোগী প্রশাসন

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: July 6, 2020 5:43 pm|    Updated: July 7, 2020 8:07 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত সপ্তাহের পর থেকেই নিখোঁজ উত্তরপ্রদেশের ‘ডন’ বিকাশ দুবে। তবে তাঁকে খুঁজতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ। তাই ‘ডন’-কে খুঁজে পেতে এবার তার নামে পুরষ্কার ঘোষণা করল যোগী সরকার। এই অভিযুক্তকে ধরে দিলেই হাতে গরমে মিলবে নগদ আড়াই লক্ষ টাকা।

বৃহস্পতিবার রাতেই একটি বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে অ্যাকশন স্কোয়াড চালিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের ‘ডন’ বিকাশ দুবে। পুলিশ বাড়ির কাছে পৌঁছনোর আগেই তাদের বাধা দিতে সবরকমের ব্যবস্থাপনাও সেরে ফেলেছিল বিকাশের সঙ্গীরা। তাই পুলিশ আসার পরই তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করেন তারা। তাতেই ঘটনাস্থলে মারা যান ডেপুটি পুলিশ সুপার দেবেন্দ্র কুমার মিশ্র-সহ পুলিশ কর্মীরা। তবে বিকাশকে খুঁজতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন যোগী রাজ্যের পুলিশ। ঘটনার পর শুক্রবার সকাল থেকেই তাঁরা উত্তরপ্রদেশের (UttarPradesh) সীমান্ত সিল করে দেয়। এমনকী বিকাশকে ধরতে তার গ্রামের বাড়িতেও চিরুনি তল্লাশি শুরু করে। তবে এবার যাতে বিকাশকে ধরা সহজ হয় তার জন্যই পুরষ্কার (Bounty) ঘোষণা করা হয়। এই কুখ্যাত দুষ্কৃতীর মাথার দাম হিসেবে আড়াই লক্ষ টাকা ঘোষণা করল যোগী সরকার। এই টোপ দিয়েই বিকাশকে হাতে নাতে ধরতে চায় উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন

[আরও পড়ুন:সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে রাস্তা তৈরির চেষ্টা নেপালের, আটকে দিল ভারত]

তবে ৬০ টি খুনের অপরাধী বিকাশের হামলা করার পরিকল্পনা দেখে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, “মাওবাদী কায়দায় হামলা চালিয়েছিল কানপুরের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের বাহিনী। আপাতত তার কানপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অন্তত ১২টি অত্যাধুনিক পিস্তল, প্রচুর বিস্ফোরক এবং কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে।” এমনকী যেভাবে ছাদে বাঙ্কার করে দাঁড়িয়েছিল তার অ্যাকশন স্কোয়াড দেখে পুলিশের অনুমান, বিকাশের বাহিনী নকশালদের কায়দায় প্রশিক্ষিত। তবে বৃহস্পতিবার রাতে যেভাবে গেরিলা আক্রমণ করে পুলিশ কর্মীদের মেরে ফেলা হয়েছে তাতে কিছুটা অবাকই হয়েছেন যোগী রাজ্যের প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

[আরও পড়ুন:চিনকে পালটা, সীমান্তে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের বরাদ্দ চারগুণ করল কেন্দ্র]

বিকাশের সঙ্গীদেরগুলিতে সেদিন রাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ডেপুটি পুলিশ সুপার দেবেন্দ্র কুমার মিশ্র। বাবার এভাবে চলে যাওয়া কিছুতেই মানতে পারছেন না তাঁর বড় মেয়ে বৈষ্ণবী। বাবার অস্থিভস্ম গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়ে এসেই পুলিশ হয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে বিএসসি ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী। তাই ভবিষ্যতের পথ হিসেবে ডাক্তারির স্বপ্ন ছেড়ে সিভিল সার্ভিসকেই বেছে নিতে চান প্রয়াত ডেপুটি পুলিশ সুপারের কন্যা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement