সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুরনো ৫০০, ১০০০ এর নোট বাতিলের পর অ্যাকাউন্টে হিসাব বহির্ভূত টাকা জমা পড়লেই চলছে ধরপাকড়। আয়ের উৎস না দেখাতে পারলে কিংবা টাকার হিসাব না দেখাতেই পারলেই কড়া মূল্য চোকাতে হচ্ছে টাকার মালিককে। কিন্তু এত কিছুর মধ্যে সরকারের ঘরে কত টাকা ঢুকতে পারে তার ধারণা আছে কারও ?
২ লক্ষ কোটি টাকা। হ্যাঁ, ঠিক তাই। এমনটাই দাবি করছে এসবিআই-এর ‘ইকনমিক রিসার্চ ডিপার্টমেন্ট’। এসবিআই-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে, নোট বাতিলের পর প্রায় ১৫.৫ লক্ষ কোটি টাকার পুরনো নোটের মধ্যে ব্যাঙ্কে জমার পরিমান ১৩ লক্ষ কোটি টাকা। বাকি আড়াই লক্ষ কোটি টাকা ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মধ্যে আসছে না বলেই তাদের দাবি। এই আয়ের উৎস বেআইনি হওয়ার কারণেই ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মধ্যে আসছে না বলেই ধরে নেওয়া যায়।
এদিকে যে টাকার আয়ের উৎস জানাতে মালিকরা অক্ষম তাদের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এক্ষেত্রে সরকারকে ৫০ শতাংশ কর দিয়ে বাকি টাকা সাদা করে নিজের ঘরে তুলতে পারেন টাকার মালিক। হিসাব বলছে, আড়াই লক্ষ কোটির মধ্যে এক লক্ষ কোটি টাকা এই স্কিমের আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তাহলে ৫০ কোটি টাকা সরকারের ঘরে ঢুকছে। আর বাকি যে টাকার উৎস এর পরেও যারা সরকারকে জানাতে চাইবেন না সেক্ষেত্রে আয়কর দফতরের হাতে ধরা পড়লে তার ৯০ শতাংশ সরকারের ঘরে যাবে বলে জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আরবিআই এর হিসাব অনুযায়ী, সরকারের ঘরে ঢুকছে ২ লক্ষ কোটি টাকা।
সর্বশেষ খবর
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়
-
অবশেষে সুখবর দিল হাওয়া অফিস, নিনো ভ্রুকুটির মাঝেই দেশে ঢুকেছে বর্ষা!
-
রাহুলের মৃত্যুতে আচমকা বন্ধ ‘চিরসখা’, দুমাস পর ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ‘কমলিনী’র, কোন ভূমিকায় অপরাজিতা?