BREAKING NEWS

৭ মাঘ  ১৪২৮  শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

‘এবার টার্গেট দুই সন্তান নীতি চালু করা’, সংঘ নেতাদের জানিয়ে দিলেন মোহন ভাগবত

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 18, 2020 10:54 am|    Updated: January 18, 2020 10:54 am

RSS has said its next area of focus will be to seek two-child norm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিন তালাক, ৩৭০ ধারা বাতিল, রাম মন্দির, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) পর এবার টার্গেট ‘দুই সন্তান নীতি’। সংঘ নেতাদের লক্ষ্য স্থির করে দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত Mohan Bhagwat)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর একে একে সংঘের পুরনো এজেন্ডাগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে। আরএসএস আশাবাদী, এবার সরকার তাঁদের কথা শুনে ‘দুই সন্তান নীতি’ কার্যকর করার আইন আনবে।

দুই সন্তান নীতি আরএসএসের বহু পুরনো এজেন্ডা। সংঘের ধারণা, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ইচ্ছেমতো সন্তানের জন্ম দিচ্ছে সংখ্যালঘুরা। আর তাতে আসলে হিন্দুদের ক্ষতি। সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি হিন্দুদের জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করে সংঘ। প্রকাশ্যে অবশ্য এই তত্ত্বের কথা স্বীকার করেন না সংঘনেতারা। জনসমক্ষে তাঁরা বলছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তা নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

[আরও পড়ুন: ঘুরপথে বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা! এবার আধার না থাকলে মিলবে না সরকারি সাহায্য]

শুক্রবার আরএসএসের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) এক সভায় সরসংঘপ্রধান মোহন ভাগবত জানিয়েছেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই ব্যপারটা দেখছি। আমাদের মতে, দেশের একটা আইন থাকা উচিত, সন্তানদের সংখ্যা নিয়ে। তবে, আপাতত এটা কেন্দ্রের জিম্মায়। কেন্দ্র এমন কোনও আইন আনতে চাইছে কিনা, সেটা তাঁরাই ঠিক করবে।” মোরাদাবাদে আরএসএসের সভা শেষে বন্ধ কামরায় সংঘের স্বয়ং সেবকদের একথা বলেছেন ভাগবত।

[আরও পড়ুন: ‘এখানে কাওয়ালি চলবে না’, ইসলামিক সংস্কৃতিতে আপত্তি যোগীরাজ্যের আধিকারিকের]

উল্লেখ্য, সদ্য অসমে চালু হয়েছে দুই সন্তান নীতি। অসম সরকারের সদ্য পাশ হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের পর যে সমস্ত দম্পতির দুইয়ের বেশি সন্তান থাকবে তাদের সরকারি চাকরি দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, এখন যারা সরকারি চাকরি করছেন, তাদেরও খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুইয়ের বেশি সন্তান না হয়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এবার গোটা দেশেই এই আইন আনতে উঠেপড়ে লাগবে আরএসএস। আর সরকারে সংঘের যা প্রভাব, তাতে খুব শীঘ্রই মোদি সরকার এই ধরনের কোনও আইন আনলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে